donald trump and kim jong un
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়েতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উনের। প্রথম দিনের বৈঠক শেষে এক সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার সময়ও বেশ উৎফুল্ল লাগে তাঁদের দু’জনকেই। বৃহস্পতি বার চলছে দ্বিতীয় দিনের বৈঠক। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে সম্ভবত দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন এবং পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নিয়ে যাবতীয় আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে ‘যৌথ চুক্তি’তে স্বাক্ষরিত হওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

দুই দেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই খবর, এ দিনই দুই দেশের রাষ্ট্রপতির মধ্যে মূল বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের দ্বিতীয় দিন এটি।

জানা গিয়েছে, বৈঠক শুরুর আগে হোটেল মেট্রোপোলে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, “আলোচনার দ্রুততা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি অবশ্যই প্রসংশনীয় যে, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া কোনো ধরনের পারমাণবিক রকেট, মিসাইল কিংবা এই জাতীয় কিছুর পরীক্ষা চালায়নি। আমরা চাই একটি সঠিক চুক্তি হোক”।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে থেকে কোনো ধরনের পারমাণবিক কিংবা আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষণ চালায়নি উত্তর কোরিয়া।

অন্য দিকে চুক্তির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কিম বলেন, “এত দ্রুতই এ কথা বলা যাচ্ছে না তবে এর মানে এই না যে, এটি হতাশাপূর্ণ। ভালো ফলাফল হবে বলেই এই মুহূর্তে আমি অনুভব করছি”।

তবে আশা থাকা সত্ত্বেও প্রথম বৈঠকের ৮ মাস পরে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বৈঠকে পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণের কোনো নিদর্শন পাওয়া যাচ্ছে না।

[ আরও পড়ুন: ট্রেনে চেপে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চললেন কিম জং-উন ]

গত বছরের জুন মাসেও এ ভাবেই তাঁরা আলোচনা শুরু করেছিলেন সিঙ্গাপুরে আয়োজিত বৈঠকে। ওই বৈঠকে পারমাণবিক নিষ্ক্রিয়করণের বিষয়ে সম্মত হয় উত্তর কোরিয়া। তবে এত দিনে এ বিষয়ে খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়। তবে হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকের পর দুই পক্ষ ‘যৌথ চুক্তি’তে স্বাক্ষর করবে—এমন পরিকল্পনা রয়েছে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন