donald trump

ওয়েবডেস্ক: যে যায় লঙ্কায়, সে-ই হয় রাবণ? না কি উক্তিটিকে একটু বদলে নিয়ে বলা উচিত, বেশির ভাগ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কেই অবৈধ নারীসংসর্গের খবর রটে? ঠিক যেমনটা হয়েছিল বিল ক্লিনটনের ক্ষেত্রে মোনিকা লিউনস্কিকে জড়িয়ে, তেমনটাই কি এ বার হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে?

বলা মুশকিল! একটি মার্কিন দৈনিকের খবর শুধু এটুকুই বলছে যে জনতার দরবারে নিজের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য ২০১৭-এর নির্বাচনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে পর্নতারকা স্টেফানি ক্লিফোর্ডকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার দিয়েছিলেন ট্রাম্প। উদ্দেশ্য- স্টেফানির সঙ্গে তাঁর দৈহিক সংসর্গের কথা যাতে চাউর না হয়, সেই জন্য পর্নতারকার মুখ বন্ধ রাখা। ট্রাম্পের হয়ে পর্নতারকার সঙ্গে এই চুক্তি এবং টাকার লেনদেনটি করেছিলেন আইনজীবী মাইকেল কোহেন।

আরও পড়ুন: ২০২০-তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন এই পর্নস্টার?

জানা গিয়েছে, স্টেফানি, যাঁকে কি না পর্ন-দুনিয়া স্টর্মি ড্যানিয়েলস নামে চেনে, তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের দৈহিক সম্পর্ক হয়েছিল ২০০৬ সালে। তার মাত্র এক বছর আগেই তাঁর তৃতীয়বার বিয়ে হয়েছে মেলানিয়ার সঙ্গে। তাঁকে লুকিয়ে ট্রাম্প স্টেফানির সঙ্গে মিলিত হন ক্যালিফোর্নিয়ার লেক তাহোইয়ের একটি রিসর্টে। সেই ঘটনা যাতে জানাজানি না হয় এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক কেরিয়ারে যাতে বিপর্যয় নেমে না আসে, তার জন্য আইনজীবীকে কোহেন দেখা করেন স্টেফানির সঙ্গে। এর পর চুক্তি সম্পাদন হলে স্টেফানির লস অ্যাঞ্জেলসের সিটি ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার জমা করে দেন।

এক দিকে এ রকম খবর রটলেও ব্যাঙ্ক এ নিয়ে কোনো কিছু জানাতে চায়নি। তেমনই খবরটা সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন স্টেফানি এবং কোহেন- দু’জনেই! এই অস্বীকারও অবশ্য মৌখিক নয়। রীতিমতো আইনিপত্রে স্বাক্ষর করে সে কথা অস্বীকার করছেন স্টেফানি। “বিশ্বাস করুন, যদি এরকম কিছু ঘটত, তাহলে তা আমি আত্মজীবনীতে আগেই লিখতাম”, জানিয়েছেন পর্নতারকা। অন্য দিকে, স্টেফানির স্বাক্ষর করা আইনি কাগজ দেখিয়ে সব রটনা ভুয়ো বলে দাবি করেছেন কোহেন!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন