doomsday

ওয়েবডেস্ক: এগোল ডুমসডে ঘড়ির কাঁটা। পৃথিবী ধ্বংস হতে বাকি আর মাত্র দু’মিনিট। ঘড়ির কাঁটা আর দু’মিনিট এগোলই আসবে সেই প্রলয়ঙ্করী রাত। ধ্বংস হয়ে যাবে সব কিছু।

ডুমসডে ক্লক একটি প্রতিকী ঘড়ি। বিশ্ব ধ্বংসের কত কাছাকাছি আছে, তা বোঝাতেই ঘড়িটি ব্যবহৃত হয়। বৃহস্পতিবার এই প্রতিকী ঘড়িটির কাঁটাকেই এগিয়েছেন একদল বিজ্ঞানী। এমনই জানিয়েছে ‘দ্য বুলেটিন অব অ্যাটোমিক সায়েন্টিস্ট’।

গত বছর এই ঘড়ির কাঁটাকেই আড়াই মিনিটে নিয়ে এসেছিলেন এই বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর ফলেই পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন বলে জানিয়েছেন ওই বিজ্ঞানীরা।

এই সংক্রান্ত একটি বিবৃতি পেশ করেছেন ওই বিজ্ঞানীরা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এক দিকে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি, অন্য দিকে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা। এই দু’টি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় বিশ্বের নেতারা দিতে পারেননি। তাই মানুষের জীবন এখন আরও বেশি বিপন্ন। সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের থেকেও বেশি।”

তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও পৃথিবীকে ধ্বংসের ঠিক এতটাই কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেটা ১৯৫৩। যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ চলছে। খবর চড়াচ্ছে, দু’টি দেশই নাকি হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করেছে। এই আবহেই ডুমস্‌ডে ঘড়ির কাঁটাকে দু’মিনিট করে দেওয়া হয়েছিল।

দ্য বুলেটিন অব অ্যাটোমিক সায়েন্টিস্টের প্রেসিডেন্ট রাচেল বনসন বলেছন, “পরমাণু সমস্যাই এই বছর আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিল। যে ভাবে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বিশ্বের মানুষ আজ চরম সংকটে।” শুধু উত্তর কোরিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রই নয়, পরমাণু অস্ত্র রাখার জন্য ভারত, পাকিস্তান এবং চিনের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন তিনি। তবে এই ঘড়ি পুননির্ধারণের আবেদনও করেন তিনি।

১৯৪৭ সালে এই ঘড়ি তৈরি হয়েছিল। এর পর কুড়ি বার এই ঘড়ির সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। ১৯৯১ সালে সব থেকে দূরে রাখা হয়েছিল এই কাঁটাকে। সে বার ‘প্রলয়ঙ্করী মধ্যরাত’-এর থেকে ১৭ মিনিট দূরে ছিল এই কাঁটার অবস্থান।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন