লন্ডন: কাজে এল না থেরেসা মে’র চাল। দেশে স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত সময়ের তিন বছর আগে নির্বাচন এগিয়ে আনলেও, সেই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল কনজারভেটিভ পার্টি। ৬৫০ আসনের ব্রিটেনে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার আগেই থেকে গেল তারা।

তবে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি দল ডেমোক্র্যাট ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। বাকিংহাম প্যালেসে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করার পর এ কথা জানিয়েছেন থেরেসা মে।

বৃহস্পতিবার সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেয় ব্রিটেন। তার পর থেকেই নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে চলছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে বুথফেরত সমীক্ষা। বুথফেরত সমীক্ষায় সবাই মোটামুটি একমত, কনজারভেটিভ পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হলেও, ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকেই এগোচ্ছে রানির দেশ। গণনা যত এগোচ্ছে ততই নিশ্চিত হচ্ছে ফলাফল। শেষ পর্যন্ত বুথ ফেরত সমীক্ষা সত্যি হল। ৩১৮টি আসন জিতেছে কনজারভেটিভরা। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে আট কম। এই ফলাফলে সব থেকে বেশি লাভ করেছে লেবার পার্টি। ২৬১টি আসন জিতেছে লেবাররা। গতবারের থেকে ২৯টি আসন বেশি।

ইতিমধ্যে মে’কে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে আবেদন করেছেন লেবার নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী জেরেমি কোর্বিন। তবে এখনই পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন মে। তিনি বলেন, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তিনি এখনই পদ ছাড়বেন না। তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত ফলাফলে জানা গিয়েছে যে সব থেকে বেশি আসন পেয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। সুতরাং দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।”

এখনও পর্যন্ত ফলাফালে জানা গিয়েছে যে স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি ৩৪টি আসন জিতেছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা জিতেছে ১২টি, ডেমোক্রাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি জিতেছে দশটি আসন। এখন দেখার এই ফলাফল কী ভাবে সরকার গঠন হয় ব্রিটেনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here