ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু দ্বিতীয় দিকেই পাল্লা ভারি করার পক্ষপাতী! বলছে, প্রচণ্ড ভালোবাসা না থাকলে এমনটা কেউ করেন না, করতে পারেনও না!

বেশ কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভুটানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের একটি ছবি। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে- স্ত্রীকে পিঠে করে একটি কর্দমাক্ত পথ পেরিয়ে চলেছেন তিনি। তোবগে নিজেই এই ছবিটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন নিজের টুইটার হ্যান্ডেল মারফত। আর তার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া তাঁকে দিয়েছে অমর প্রেমিকের সম্মান!

আরও পড়ুন: জনসমক্ষে ভালোবাসা প্রদর্শন, যুগলদের প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত ইন্দোনেশিয়ায়

তা, সত্যি বলতে কী, দেওয়াটাই স্বাভাবিক! স্ত্রী যখন সুস্থ এবং সক্ষম, তখন তাঁর নিজে হেঁটে কাদা-মাখা পথ না পেরিয়ে যাওয়ার তো কোনো কারণ নেই! অথচ, তোবগে স্ত্রীর পায়ে কাদা মাখাতে চাননি। তাই তাঁকে পিঠে নিয়ে পেরিয়ে গিয়েছেন পথটুকু। এ প্রসঙ্গে লিখেছেন- “স্যার ওয়াল্টার র‌্যালেফের মতো মহান কিছুও নয়, কিন্তু স্ত্রীর পায়ে কাদা লাগতে না দেওয়ার জন্য একজন পুরুষকে যা করতে হয়, তাই করেছি!”

এই জায়গা থেকেই দেখা দিয়েছে কূটকচালি! র‌্যালেফ প্রথম এলিজাবেথের পায়ে যাতে কাদা না লাগে, সে জন্য পথের উপরে বিছিয়ে দিয়েছিলেন নিজের গায়ের চাদর! কিন্তু ছবিতে পথের যা অবস্তা দেখা যাচ্ছে, তাতে একটা চাদরে তোবগের ক্ষেত্রো কুলানো সম্ভব নয় বলেই অনুমান! তা হলে কি ব্যাপারটা বাধ্যবাধকতা? না কি ভালোবাসা? না কি ভালোবাসার বাধ্যবাধকতা? আপনার কী মনে হয়?

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন