irma barbuda

সেন্ট জন্‌স (আন্টিগা): দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ইর্মার ধাক্কায় ১,৮০০ মানুষের বার্বুডা দ্বীপটি আর বাসযোগ্য নয়, এর পর আরও একটা ঝড়ের ভ্রূকুটি ঝুলছে তাদের ওপর। ঠিক যে জায়গায় তৈরি হয়েছিল ইর্মা, সেখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ঝড়, হারিকেন জোস। এখনই ক্যাটেগরি ৩-এ পৌঁছে গিয়েছে তার শক্তি।

ইর্মা চলে গেলেও, যে পরিমাণ ধ্বংসলীলা সে চালিয়েছে তা কল্পনার বাইরে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউন। হাসপাতাল, বিমানবন্দর-সহ বার্বুডার সব সরকারি বাড়িই এখন ক্ষতিগ্রস্ত। গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ষাট শতাংশ বাসিন্দা। এর পর জোস কী করবে সেটা এখনও ভেবে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার’ ঘোষণা করে, “মরশুমের তৃতীয় হারিকেনে পরিণত হয়েছে জোস’।

 

irma barbuda
বার্বুডায় ধ্বংসলীলা

আন্টিগার বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে, “যা মনে হচ্ছে শনিবার সকাল নাগাদ আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়।” ইর্মার তাণ্ডবে এখনও পর্যন্ত ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

‘ইর্মা সর্বনাশা বিপর্যয় ঘটাতে পারে’, আতঙ্ক দক্ষিণ ফ্লোরিডায়

ইর্মা যত এগিয়ে আসছে তত আতঙ্ক বাড়ছে ফ্লোরিডার দক্ষিণাংশে। উপকূলবর্তী অংশ থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদস্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে ফেলেছে প্রশাসন। আতঙ্ক বাড়িয়েছে ফ্লোরিডার গভর্নর রিক স্কটের কথায়। তিনি বলেন, “সর্বনাশা বিপর্যয় ঘটাতে পারে ইর্মা।” শেষ পাওয়া খবরে বাহামাসে আঘাত হেনেছে ইর্মা।

এমনিতে ফ্লোরিডায় হারিকেন নতুন কিছু নয়। কিন্তু ইর্মার মতো শক্তিধর ঝড় আগে কখনও হয়নি আতলান্তিকে। ১৯৯২ সালের হারিকেন আন্দ্রিউয়ের সময় এই অঞ্চলে ক্ষতি হয়েছিল সব থেকে বেশি। ইর্মার ক্ষতি তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন