fifa world cup 2018

ওয়েবডেস্ক: কে কার সঙ্গে কী করবে আর কী করবে না, সেটা নিঃসন্দেহে খুবই ব্যক্তিগত ব্যাপার! বিশেষ করে প্রশ্নটা যদি যৌনতা নিয়ে হয়, তা হলে তো বটেই! সে ক্ষেত্রে সরকারি নিষেধাজ্ঞা একটু বেশি বাড়াবাড়ি রকমের ব্যাপার বলে মনে হয় না?

হতেই পারে বাড়াবাড়ি! কিন্তু রাশিয়ার সরকার নিরুপায়! এর আগে যে দেখেছে দেশ- কী ভাবে বিশ্বকাপের প্রভাবে দেশ ছেয়ে গিয়েছে অবৈধ সন্তানে!

খবর বলছে, সেই সময়টা ১৯৮০ সাল। সে বারে, ঠিক এখন যেমন, রুশ দেশে বসেছে বিশ্বকাপের খেলার আসর। কাতারে কাতারে অসংখ্য লোকজন আসছেন রাশিয়ায় খেলা দেখতে। একটানা থেকে যাচ্ছেন বেশ কয়েক দিন। খেলা ফুরোলে আবার ফিরে যাচ্ছেন নিজের দেশে।

কিন্তু তারই মাঝে রাশিয়ার জন্য রেখে যাচ্ছেন তাঁরা অগুনতি সন্তান! কেন না, এই কয়েক দিনে যেমন ফুটবলের খেলা চলেছে ময়দানে, তেমনই স্থানীয় নারীদের সঙ্গে শরীরী খেলাও চলেছে এই বিদেশি অভ্যাগতদের। অনেক গুলো দিন থাকতে থাকতে তৈরি হয়েছে পরিচয়, সেখান থেকে হালকা প্রণয়। পরিণামে গর্ভবতী হয়ে পড়েছেন বহু রুশ রমণী!

এ বারেও যেন তেমনটা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে রুশ সরকারের তরফে। সে দেশের জাতীয় রেডিও চ্যানেলে এই নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছেন কমিউনিস্ট শ্রীমতী তামারা প্লেতনেভা। “আশা করি দেশের তরুণীরা বিদেশিদের সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না এবং পরিণামে গর্ভবতী হয়ে পড়বেন না”, বলেছেন তিনি।

এবং কেন এতটা নির্মম হয়েছে তাঁর শব্দ, তাও যুক্তি সহকারে বুঝিয়েছেন বছর সত্তরের তামারা। “সমস্যাটা এ ক্ষেত্রে একান্ত ভাবেই হয় ওই সন্তানদের। তারা পরিচিতির সমস্যায় আজীবন ভোগে”, দাবি তাঁর।

যদিও রুশ রেডিও এ বিষয়ে তাঁকে এক পাল্টা যুক্তিও দেখিয়েছে। বলেছে, এ ভাবে যদি দেশের নাগরিক সংখ্যা বাড়ে, তা হলে কি তা প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বপ্নকে পূর্ণ করবে না?

“আমরা সন্তান উৎপাদনটা না হয় নিজেদের মধ্যেই করি”, জোরালো যুক্তি তামারার!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন