cairo

ওয়েবডেস্ক: বেঁচে থাকার কথা তার ছিল না! বাঁচলেও হাত-পা অন্তত যে আস্ত থাকত না, তা হলফ করে বলাই যায়! কিন্তু ওই, রাখে হরি, মারে কে!

তা, ঈশ্বরের করুণাতেই যে কায়রোর আসিয়ুটের ওই ঘটনাস্থলে কামিল ফতি জায়েদ, হাসান সইদ আলি এবং সবরি মেহরুস আলি উপস্থিত ছিলেন, তা এখন প্রমাণিত সত্য। এই তিন পুলিশ অফিসারের তৎপরতাই প্রাণ বাঁচিয়েছে ওই বাচ্চা ছেলেটির।

জানা গিয়েছে, ওই তিন পুলিশ অফিসার ঘটনার দিন ওই বাড়িটির নীচে এক ব্যাঙ্কের পাহারার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। আচমকাই তাঁরা উপরের দিকে চোখ তুলতে দেখেন, চারতলার বারান্দায় একটা বাচ্চা ছেলে কোনো মতে ঝুলে রয়েছে! আপ্রাণ চেষ্টা করছে সে একটা কিছু আঁকড়ে ধরার! কিন্তু বার বার তার হাতের মুঠি পিছলে যাচ্ছে।

ঘটনা দেখে এক পুলিশ অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ছুট লাগান ওই বাড়িটির চারতলার দিকে। দ্বিতীয় জন টেনে নেন পথের ধারে ব্যারিকেডের উপর শুকোতে দেওয়া একটি গালিচা; যদি বাচ্চাটিকে ওই গালিচায় লুফে নেওয়া যায়।

কিন্তু সেই সময়টা যে পাওয়া যাবে না, তা বোধহয় বুঝতে পেরেছিলেন তিন নম্বর পুলিশ অফিসার। ফলে তিনি ঊর্ধ্ববাহু হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন বারান্দার নীচ বরাবর! এবং তা বিচক্ষণের কাজই হয়েছিল বলতে হবে! কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হাত ফসকে বাচ্চা ছেলেটি সটান নীচে পড়ে যায়!

কিন্তু ওই পুলিশ অফিসার তাঁকে ঠিক সময় মতো লুফেও নেন। তার পর দু’জনেই গড়িয়ে পড়েন ওই গালিচাটির উপর। জানা গিয়েছে, ঘটনায় বাচ্চাটি সুস্থই রয়েছে। কিন্তু ওই তিন নম্বর পুলিশ অফিসারকে নিয়ে যেতে হয়েছে হাসপাতালে। উঁচু থেকে বাচ্চাটি তাঁর উপর এসে পড়ায় শরীরে কিছু চোট পেয়েছেন তিনি।

বিশ্বাস না হলে ঠিক উপরের ভিডিওয় নিজেই দেখে নিন ঘটনাটি!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here