২৬/১১-এর মুম্বই হামলা

ওয়েবডেস্ক: জইশ নেতা মাসুদ আজহারকে নিয়ে আরও একবার বাগড়া দিয়েছে চিন। কিন্তু তা সত্ত্বেও পুলওয়ামা হামলার পর থেকে চিনের কিছু আচরণ নিয়ে ভারত কিছুটা স্বস্তিতে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বালাকোটে বায়ুসেনার অভিযানের পরেও ভারতের নিন্দা না করা।

সেই লাইন ধরেই এই প্রথম চিনের মুখে ২৬/১১-এর ঘটনার তীব্র নিন্দা শোনা গেল। মুম্বইয়ে লস্কর জঙ্গিদের হামলা চালানোর ১১ বছর পর মুখ খুলল বেজিং। এই হামলাকে সব থেকে ন্যক্কারজনক ঘটনাগুলির অন্যতম বলে অভিহিত করল বেজিং।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ভাবমূর্তি তুলে ধরতে এ বার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে চিন। সেই শ্বেতপত্রে  বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে চিন।

সন্ত্রাসবাদ তথা জঙ্গি কার্যকালাপ রুখতে বেজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নয় নয়াদিল্লি। মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তালিকাভুক্ত করা নিয়ে চিনের ভূমিকায় একাধিক বার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউসও। এর পরেই চিন জানিয়ে দেয় মাসুদ আজহারের ব্যাপারটি খুব তাড়াতাড়িই মিটিয়ে ফেলা হবে।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা, বুধবার থেকে ক্রমশ চড়বে পারদ 

বিশ্বব্যাপী বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, “সন্ত্রাসের আতঙ্ক অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে সন্ত্রাসবাদ। ২০০৮ সালের নভেম্বরের মুম্বই হামলা সন্ত্রাসবাদের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক উদাহরণগুলির মধ্যে অন্যতম।”

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে চিন কখনোই পিছপা হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে বেজিং। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাকিস্তান চিনের বন্ধু দেশ হওয়ার পাশাপাশি ভারতকেও পাশে দরকার চিনের। সেই কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই ২৬/১১-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছে তারা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here