Connect with us

বিদেশ

মোজাম্বিকে জ্বালানিবাহী ট্রাকে বিস্ফোরণ, হত ৭৩

মোজাম্বিকের টেটে প্রদেশে জ্বালানি বহনকারী ট্রাক উল্টে বিস্ফোরণে মারা গেলেন ৭৩ জন গ্রামবাসী। আহত ১১০ জন।

বন্দর শহর বেইরা থেকে মালাওয়াই-এর দিকে জ্বালানি নিয়ে যাচ্ছিল ট্রাকটি। পথেই এই ঘটনা ঘটে বলে সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। আহতদের ৯০ কিলোমিটার দূরের সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সরকারি চিকিৎসকদের দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। মোজাম্বিকের রাজধানী মানপুতো থেকে এলাকাটি ২০০০ কিলোমিটার দূরে।

ট্রাকটি জ্বালানি বিক্রি করছিল নাকি স্থানীয় বাসিন্দারা ট্রাকটি লুঠ করে নিয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি ডলারের তুলনায় মোজাম্বিকের মুদ্রা মেটিকালের দাম পড়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দেশের মানুষ।

মোজাম্বিক পৃথিবীর সবচেয়ে গরিব দেশগুলির অন্যতম। আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের মতে, ১৯৯২ সালে সে দেশে গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।

বিদেশ

হোয়াইট হাউজের সামনে ফের কাঁদানে গ্যাস পুলিশের, সেনা নামানোর হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

নিউ ইয়র্ক: হোয়াইট হাউজের (White House) সামনে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাস আর রবার বুলেট ফাটালো পুলিশ। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের মতে, ওই বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণই ছিল। এ দিকে বিক্ষোভকারীদের দমন করতে গোটা দেশেই সেনা নামানোর হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

হোয়াইট হাউজের উলটো দিকেই লাফায়েট পার্ক। সেখানেই জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন প্রতিবাদীরা। রয়টার্সের চিত্রসাংবাদিক জোনাথান আর্ন্সট জানান, কাঁদানে গ্যাস আর রবার বুলেট ফাটিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

ঠিক একই সময়ে হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি ‘অবিলম্বে’ এই বিক্ষোভ থামিয়ে দেবেন। বিক্ষোভ দমন করার জন্য গোটা দেশে সেনা নামানোর হুমকিও দেন তিনি। তবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নররা যদি ন্যাশনাল গার্ডকে পথে না নামান, তখনই সেনাকে ডাকবেন বলে জানান প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, “মানুষের প্রাণ এবং সম্পত্তি বাঁচানোর জন্য গভর্নররা যদি ন্যাশনাল গার্ডকে এখনই না ডাকেন, তা হলে আমি সেনা ডাকব আর এখুনি সব কিছুর সমাধান করে দেব।”

উল্লেখ্য, মিনেপলিসের (Minneapolis) এক পুলিশ অফিসার প্রায় ন’মিনিট কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরে থাকে। এর জেরে পুলিশি হেফাজতে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক বিক্ষোভ। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি বহু শ্বেতাঙ্গও এই বিক্ষোভে যোগ দেন।   

ক্রমে এই বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নেয়। বিক্ষোভ ক্রমশ জোরদার হতেই সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল ব্রাউজার শহরে কার্ফু জারি করেন। সেই সঙ্গে আরও চল্লিশটি শহরে কার্ফু জারি হয়। এরই মধ্যে রবিবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের সামনে চলে এলে প্রেসিডেন্টকে এক ঘন্টার জন্য মাটির নীচে বাংকারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

১৯৬৮ সালে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের (Martin Luther King Jr) খুনের পর গোটা দেশে যে ভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল, এ বারের পরিস্থিতি ঠিক সেরকমই বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে হোয়াইট হাউসে যেখানে পুলিশি অত্যাচারের ছবি ধরা পড়ছে, সেখানে অন্য ছবিও দেখা যাচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে সংহতি প্রকাশও করছে পুলিশ। সোমবার এমনই বিরল দৃশ্য দেখল মিয়ামি।

ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে সোমবার মিয়ামিতে বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশেই প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটু গেড়ে বসে পুলিশ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ফ্লয়েডের মৃত্যু দেশের মানুষকে রাজনীতিগত এবং বর্ণগত দিক থেকে দু’ ভাগ করে দিয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ

খবর অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে সংহতি প্রকাশ করল পুলিশ। সোমবার এই বিরল দৃশ্য দেখল মিয়ামি। পুলিশের এক অফিসার কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরার জেরে তার মৃত্যুর পর থেকে গোটা আমেরিকা (USA) বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। রবিবার এই বিক্ষোভ এতটাই বিশাল আকার ধারণ করেছিল যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) কিছুক্ষণের জন্য হোয়াইট হাউসের বাংকারে যেতে হয়েছিল।

এর মধ্যে প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ (Miami Police)। সোমবার সেখানে ফ্লয়েডের হত্যার নিন্দায় বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশেই প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটু গেড়ে বসে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে আমেরিকা, ওয়াশিংটন-সহ ৪০ শহরে কার্ফু

পুলিশের এ হেন আচরণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পড়তেই নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। পুলিশের এই আচরণকে সঠিক দিকে সঠিক পদক্ষেপ বলে সাধারণ মানুষ অভিহিত করে।

মিনেপলিসের (Minneapolis) এক পুলিশ অফিসার দেড় ঘণ্টা ধরে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরে থাকে। এর জেরে পুলিশি হেফাজতে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক বিক্ষোভ। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি বহু শ্বেতাঙ্গও এই বিক্ষোভে যোগ দেন।   

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা সেই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অনেক জায়গায় হিংসাত্মক আকার নেয়। বিক্ষোভ ক্রমশ জোরদার হতেই সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল ব্রাউজার শহরে কার্ফু জারি করেন। এরই মধ্যে রবিবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের সামনে চলে এলে প্রেসিডেন্টকে এক ঘন্টার জন্য মাটির নীচে বাংকারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ফ্লয়েডের মৃত্যু দেশের মানুষকে রাজনীতিগত এবং বর্ণগত দিক থেকে দু’ ভাগ করে দিয়েছে।

Continue Reading

বিজ্ঞান

কোভিড ১৯ চিকিৎসায় রাশিয়ার প্রথম ওষুধ আগামী সপ্তাহ থেকেই

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকে কোভিড ১৯ (Covid 19) চিকিৎসায় রাশিয়া (Russia) তার প্রথম অনুমোদিত ওষুধটি প্রয়োগ করতে চলেছে। রয়টার্সকে এই খবর দিয়েছে রাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক মদতকারী সংস্থা। তাদের আশা, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর চাপ কমবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবনে দ্রুত ফিরে আসা সম্ভব হবে।

এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার আরডিআইএফ সভরেন ওয়েলথ ফান্ডের (RDIF Sovereign Wealth Fund) প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ (Kirill Dmitriev) রয়টার্সকে জানান, অনুমোদিত ওষুধটি ‘অ্যাভিফেভির’ (Avifavir) নামে নথিভুক্ত হয়েছে। রাশিয়ার হাসপাতালগুলি ১১ জুন থেকে কোভিড ১৯ রোগীদের উপর এই অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি (antiviral drug) প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি জানান, এই ওষুধ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি মাসে অন্তত ৬০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করার মতন ওষুধ উৎপাদন করবে।

আরও পড়ুন: মডার্নার করোনাভাইরাস টিকার প্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল

নতুন করোনাভাইরাসের (coronavirus) জেরে কোভিড ১৯ নামে যে রোগের সৃষ্টি হয়েছে, তা ঠেকানোর জন্য প্রতিষেধক টিকা (vaccine) তৈরির চেষ্টা বিভিন্ন দেশে জারি থাকলেও এখনও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

কোভিড ১৯-এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গিলিড-এর (Gilead) অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ (Remdesivir) নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কিছু ইতিবাচক ফল মিলেছে এবং কিছু দেশে এমার্জেন্সি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

‘অ্যাভিফেভির’-এর জেনেরিক নাম ‘ফ্যাভিপিরাভির’ (Favipiravir)। গত শতকের নব্বই দশকের শেষ দিকে জাপানের একটি কোম্পানি প্রথম এটি তৈরি করে। পরে ফুজিফিল্ম স্বাস্থ্যপরিষেবায় যুক্ত হওয়ার পরে ওই কোম্পানি কিনে নেয়।

আরডিআইএফ প্রধান জানান, রুশ বিজ্ঞানীরা ওই ওষুধের কার্যকারিতা আরও বাড়িয়েছে এবং আগেকার ওষুধে কী কী সংশোধন করা হয়েছে সেই তথ্য আগামী দু’ সপ্তাহের মধ্যে সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে রাজি আছে মস্কো।

জাপানও ওই একই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে। সেখানে এই ওষুধের নাম ‘অ্যাভিগান’ (Avigan)। এই প্রচেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের জোরালো সমর্থন পেয়েছে এবং তাঁর সরকার এ ব্যাপারে ১২৮ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কোনো অনুমতি সরকার দেয়নি।     

রুশ সরকারের অনুমোদিত ওষুধের তালিকায় গত শনিবারই ঢুকে গিয়েছে ‘অ্যাভিফেভির’। দিমিত্রিভ জানান, ৩৩০ জন কোভিড ১৯ রোগীর উপর এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভাইরাসের চিকিৎসা করে চার দিনের মধ্যে রোগীদের সুস্থ করে তুলেছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিশেষ দ্রুত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং