Connect with us

বিদেশ

হোয়াইট হাউসের কাছে হামলা বন্দুকবাজের, হত ১, গুলিবিদ্ধ অনেকে

ওয়াশিংটন: ফের বন্দুকবাজের হামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ বার ঘটনাস্থল খোদ ওয়াশিংটনে, হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি একটি অঞ্চলে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এ ছাড়াও আরও অন্তত পাঁচ জন গুলিবিদ্ধ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত দশটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। অন্তত ৬ জনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর জানায় ওই সংবাদমাধ্যম। পরে অবশ্য এক জনের মৃত্যু হয়েছে।

হোয়াইট হাউস থেকে তিন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত ফোর্টিন্থ স্ট্রিট এবং কলোম্বিয়া স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এই ঘটনা ঘটেছে। বন্দুকবাজের হামলার পরেই মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই হামলা কোনো একক ব্যক্তি করেছে না কি কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর হাত রয়েছে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি পুলিশ প্রশাসন।

আরও পড়ুন যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা ভেবেছিলেন মনমোহন সিংহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢিলেঢালা বন্দুকনীতির জন্য এই ধরনের ঘটনা প্রায়শই ঘটছে। একটি তথ্যসূত্রে জানা যাচ্ছে, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বন্দুকবাজের হামলায় দেশে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত বছর এই সময়কালের থেকে যা বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ।

পড়তে থাকুন
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিদেশ

সেনা নামানোর বিরোধিতায় সরব মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব, দিলেন ইস্তফা

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বিক্ষোভ দমনে সেনা নামানোর ইস্যুতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতবিরোধ। আর তার জেরেই পদত্যাগ। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের (US Defence Secretary) পদ ছেড়ে দিলেন মার্ক টি এসপার (Mark T Esper)। তিনি বলেছেন, আমেরিকার শহরগুলিতে যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ঢেউ বইছে, তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কর্মরত সৈন্যদের নামানোর কোনো প্রয়োজন নেই। অন্তত পক্ষে এখন তো নয়ই।

সোমবার ঠিক এর উলটো কথাই বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা সেনাবাহিনীর প্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। বলেছিলেন, বিক্ষোভ দমনে সেনা নামানো দরকার।

সেনাবাহিনীকে ব্যবহারের ইস্যুতে পেন্টাগনে কী টালমাটাল অবস্থা চলছে, এসপারের মন্তব্যেই তা প্রমাণিত। প্রেসিডেন্ট তথা সেনাপ্রধানের বক্তব্যে শঙ্কিত হয়ে ওঠেন পেন্টাগনের আধিকারিকরা। তাঁদের আশঙ্কা, এর পরে হয়তো দেখা যাবে ফৌজি আইন জারি করার প্রচেষ্টায় সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানো হচ্ছে।

পেন্টাগনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা সচিব বলেন, দেশের অভ্যন্তরে আইন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সক্রিয় সেনাবাহিনীকে একমাত্র শেষ উপায় হিসাবে কাজে লাগানো উচিত অর্থাৎ পরিস্থিতি যদি একেবারে হাতের বাইরে চলে যায়, তখনই।

এসপারের মন্তব্যে রীতিমতো ক্রুদ্ধ হন প্রেসিডেন্ট। পরে হোয়াইট হাউসে ডেকে তাঁকে তুলোধোনা করেন বলে এক প্রশাসনিক আধিকারিক জানান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এখনও এসপারের উপরে আস্থা আছে কি না জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কেলে ম্যাকন্যানি বলেন, “এখনও পর্যন্ত বলতে পারি সচিব এসপার এখনও সচিব এসপার”, কিন্তু “প্রেসিডেন্ট আস্থা হারিয়েছেন কি না তা আমরা ভবিষ্যতে জানতে পারব”।

সাধারণ মানুষের এবং সক্রিয় ও সংরক্ষিত সেনাদের সমর্থন হারানোর ব্যাপারে পেন্টাগনের সিনিয়র নেতারা চিন্তিত। সেনাবাহিনীর ৪০ শতাংশ কর্মী অ-শ্বেতাঙ্গ। বুধবার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কম্যান্ডারদের উদ্দেশে এক বার্তা দিয়ে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ-এর চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক এ মিলি (Gen. Mark A. Milley) বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য সংবিধান রক্ষা করার শপথ নিয়েছেন, তাঁর কথায়, “যে সংবিধান আমেরিকানদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও বাক স্বাধীনতার অধিকার দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের সামনে থেকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের জোর করে সরিয়ে দেওয়ার পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাছাকাছি একটি গির্জায় যাওয়ার জন্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার-সহ বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার মুখে পড়েন মার্ক টি এসপার ও মার্ক এ মিলি। এর পরেই তাঁরা সক্রিয় হন এবং প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের বিরোধী বক্তব্য পেশ করেন।

পড়তে থাকুন

দেশ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানালেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ (Emmanuel Macron)।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) দীকে চিঠি লেখেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সেই চিঠিতেই উম্পুনের প্রসঙ্গ রয়েছে।

কূটনৈতিক একটি সূত্র জানাচ্ছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের কথা উল্লেখ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। ফ্রান্সের সব মানুষের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁর সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন আর ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের প্রতি শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট।”

উল্লেখ্য, গত ২০ মে সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়েছে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। এখনও পর্যন্ত ঝড়ের দাপটে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের, ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লক্ষ মানুষ।

উত্তর ওড়িশাতেও উম্পুনের প্রভাব পড়েছে। সেখানে কারও মৃত্যু না হলেও পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ভালোই হয়েছে। কিছুদিন আগেই মোদীকে ফোন করে উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ব্রিটেনের যুবরাজ চার্লসও। ফলে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন নিয়ে হইচই পড়েছিল, চার্লস আর মাকরঁর অবস্থান থেকেই তা স্পষ্ট।

পড়তে থাকুন

বিদেশ

কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশের স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ চাইলেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আফ্রিকান আমেরিকান জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে একটানা নির্যাতনে হত্যার (থার্ড ডিগরি মার্ডার, third degree murder) দায়ে অভিযুক্ত মিনেপোলিসের (Minneapolis) প্রাক্তন পুলিশ অফিসার ডেরেক শেভিনের (Derek Chauvin) স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করলেন। উল্লেখ্য, ফ্লয়েডের দেহের প্রথম ময়না তদন্তের রিপোর্টে হৃদরোগে বলা হলেও, পরের দু’টি রিপোর্টেই হত্যার কথা বলা হয়েছে।  

কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের মৃত্যু গত ২৫ মে-র ঘটনা। প্রায় ৯ মিনিট ধরে ফ্লয়েডের গলা হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছিলেন পুলিশ অফিসার ডেরেক শেভিন। ৪৬ বছরের ফ্লয়েড বার বার বলতে থাকেন, “আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) জুড়ে তীব্র প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ দমনে সেনা নামানোর কথাও বলে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

আরও পড়ুন: ‘দয়া করে মুখ বন্ধ রাখুন’, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ হিউস্টনের পুলিশপ্রধানের

এরই মাঝে ৪৫ বছরের কেলি মে শেভিন (Kellie May Chauvin) বিচ্ছেদের মামলা করে দিয়েছেন। ফ্লয়েডের মৃত্যুতে থার্ড ডিগরি মার্ডারের অভিযোগে যে দিন ডেরেককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়, তার পরের দিনই মামলা করেন কেলি।

১০ বছরের বিবাহিতা কেলি তাঁর ৮ পাতার বিচ্ছেদ-আবেদনে বলেছেন, “তিনি তাঁর শেষ নামটা পালটাতে চান।” আবেদনে বলা হয়েছে, “বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে, তাই তিনি নাম পালটাতে চাইছেন।”

“যাঁদের কাছে কেলি ঋণী তাঁদের ঠকাতে বা বিপথগামী করতে বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তিনি নাম পালটাতে চাইছেন না, বা তিনি কোনো দুর্বৃত্তও নন” – এনবিসি নিউজ এই খবর দিয়েছে।

কেলি কোনো খোরপোষও চাননি। বিচ্ছেদ-আবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ মে থেকে “দু’ জনে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছেন”। “বর্তমানে বেকার” হলেও কেলি “নিজের ভরণপোষণে সক্ষম” এবং “কোনো রকম খোরপোষের প্রয়োজন নেই এবং অস্থায়ী বা স্থায়ী ভাবে খোরপোষ চাওয়ার যে অধিকার রয়েছে, তা তিনি ত্যাগ করছেন”।

“‘মিনেসোটা স্ট্যাটিউটস’-এর সংজ্ঞা অনুসারে তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্ক এমন ভাবে ভেঙে গিয়েছে যে তা আর জোড়া লাগানো যাবে না। এই বিয়েকে আর বাঁচানোর উপায় নেই”, কেলির আবেদনে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মিনেসোটা আমেরিকান প্যাজেন্ট পুরস্কারে ভূষিত কেলি মে লাওস থেকে শিশু উদ্বাস্তু হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।

পড়তে থাকুন

নজরে