মুম্বই: মুম্বইয়ের সইফি হাসপাতালে চিকিৎসার পালা শেষ। এবার আবুধাবির বুরজিল হাসপাতালে যাবেন ‘বিশ্বের সবচেয়ে স্থূলকায় মহিলা’ ইমন আহমেদ। তবে মিশরের এই মহিলা যখন চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন, তখন তাঁকে চার্টার্ড কার্গো বিমানে আনতে হয়েছিল। কিন্তু তিনি আবুধাবি যাবেন সাধারণ বিমানের বিজনেস ক্লাসে।

আরও পড়ুন: ইমনের ওজন কমার ‘দাবি’ মিথ্যে বললেন বোন শাইমা, প্রতিবাদে পদত্যাগ এক ডাক্তারের

“গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ইমন আহমেদের ওজন ছিল ৫০০ কেজি, বর্তমানে তাঁর ওজন ১৭৬.৬ কেজি”, বলেন সইফি হাসপাতালের বেরিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের প্রধান অপর্ণা ভাস্কর। “এখানকার চিকিৎসা শেষ হলে ইমনকে আরব আমিশাহির বুরজিল হাসপাতালে পাঠানো হবে। পরবর্তী ফিজিওথেরাপি সেখানেই হবে। কারণ সেটা ইমন ও তাঁর পরিবারের বাড়ির কাছে”, এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন অপর্ণা।

নের শারীরির অবস্থার যদি এতই উন্নতি হয়ে থাকে, তাহলে তাঁর বোন কেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন, এই প্রশ্নের উত্তরে অপর্ণা বলেছে, সম্ভবত শাইমা আরও কিছুদিন ইমনকে সইফি হাসপাতালে রাখতে চাইছিলেন।

“তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। শারীরবৃত্তীয় মানদন্ডগুলি সবই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এখন শুধু প্রয়োজন ওনার স্নায়বিক পুনর্বাসন ও ফিজিওথেরাপি”, বলা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

সইফি হাসপাতালে ইমনের যথাযথ চিকিৎসা হয়নি বলে তিনদিন আগে অভিযোগ করেন, তাঁর বোন শাইমা সেলিম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওজন কমার ব্যাপারে যে দাবি করছেন, তা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারপরই শুরু হয় বিতর্ক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং ইমনের চিকিৎসক দলের প্রধান মুফাজাল লাকড়াওয়ালা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারপরই বুধবার আবুধাবি থেকে চিকিৎসক দল নিয়ে আসেন শাইমা। আবুধাবির ভিপিএস হেল্থকেয়ার গোষ্ঠীর বুরজিল হাসপাতালের ওই চিকিৎসকরা কথা বলেন সইফি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসক লাকড়াওয়ালার সঙ্গে। তারপই ইমনের ভারত-ত্যাগ সংক্রান্ত বিবৃতি দিলেন চিকিৎসক অপর্ণা ভাস্কর।

ইমনের শারীরির অবস্থার যদি এতই উন্নতি হয়ে থাকে, তাহলে তাঁর বোন কেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন, এই প্রশ্নের উত্তরে অপর্ণা বলেছে, সম্ভবত শাইমা আরও কিছুদিন ইমনকে সইফি হাসপাতালে রাখতে চাইছিলেন।

গত মাসে ইমন আহমেদের পেটের অস্ত্রোপচার হয়। তাঁর পাকস্থলীর আয়তন দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি কম থাদ্যগ্রহণ করতে পারেন।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here