Imran-Khan
ইমরান খান। ছবি: টাইম থেকে

ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানকে পাশে পেতে চিনের উদ্যোমে অন্ত নেই। একটি সূত্রের দাবি, গত ২৫ জুলাই পাকিস্তানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর দিনই পাকিস্তানকে দেওয়া ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ মুকুব করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বেজিং।

আগামী ১১ আগস্ট পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তুখোড় রাজনীতিবিদ ইমরান খান। এ খবর পৌঁছানো মাত্র চিনের তরফে পাকিস্তানকে সব থেকে বড়ো ‘তোফা’ হতে চলেছে এই বিপুল অঙ্কের ঋণছাড়। মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আন্তর্জাতিক ভরকেন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা থেকেই চিন সব সময়ই চেয়েছে পাকিস্তানকে হাতে রাখতে। ফলে সে দেশে ইমরান খানের মতো বিশ্বপরিচিত ব্যক্তিত্বের প্রধানমন্ত্রীর তখ্‌তে বসার সম্ভাবনা প্রবল হওয়ার পর থেকেই চিনের উদ্যোগেও খামতি নেই বলে মত প্রকাশ করেছে ওই সূত্র।

এর ফলে যেমন ভারতের সঙ্গে স্নায়ু যুদ্ধকে আরও প্রসারিত করা যাবে তেমনই আমেরিকার কাছেই সুর্নিদিষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল।চিনের এমন সিদ্ধান্তের ফলেই সম্ভবত বিগত এক দশক ধরে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানের টাকার (রুপি) দামে প্রাণসঞ্চার ঘটেছে। গত পাঁচ দিনে আমেরিকার ডলার তুলনায় রুপির গ্রাফ চড়চড় করে বেড়েছে। যে অর্থনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে ইমরান দেশের হাল ধরতে চলেছেন, চিনের এই নতুন সিদ্ধান্ত তাঁকে বেশ আশ্বস্তই করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কট্টরপন্থা উপমহাদেশে গণতন্ত্রের অশনি সংকেত, ইমরানকে দিয়েও হবে না, পাক ফৌজের চাই হাফিজকে

ইতিমধ্যে পাকিস্তানের দিক থেকে আমেরিকা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার পর চিন যে ভাবে অর্থবল, সেনাবল বা প্রশাসনিক সহায়তা দিয়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ইমরানের শপথগ্রহণের পর তার উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে বলেই ধরে নিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন