ওয়েবডেস্ক : নিউইয়র্ক টাইমসের করা একটি খবরকে কেন্দ্র করে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ট্রাম্প গোপনে রাশিয়ার হয়ে কাজ করেছেন কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই তদন্ত শুরু হয় এফবিআই অধিকর্তা জেমস কোমিকে সরানোর পরই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের মে মাসে ট্রাম্প যখন জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেন, সে সময় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী কর্তারা। রাশিয়ার ‘নির্দেশে’ এই করা হয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন তাঁরা। প্রেসিডেন্টের এ দরনের কাজকর্ম কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে দেশের পক্ষে তা নিয়ে তদন্ত শুরু গোয়েন্দা সংস্থাটি।

যদিও এ ধরনের খবরের পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই বলেই দাবি করেছে হোয়াইট হাউজ। প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যানডার্স এক বিবৃতি দিয়ে বলেছেন এ ধরনের তদন্ত অবাস্তব। তিনি জেমস কোমির সমালোচনা করে বলেছেন, ‘‘জেমস কোমিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল, কারণ তিনি পক্ষপাতদুষ্ট ও নিন্দনীয় ব্যক্তি। তাঁর ডেপুটি অ্যান্ডু ম্যাককেবে একজন মিথ্যেবাদী হিসাবে পরিচিত ছিলেন এবং তাঁকে এফবিআই বরখাস্ত করেছিল।

শনিবার ফক্স নিউজকে টেলিফোনে ২০ মিনিট সাক্ষাৎকার দিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন,  এই ধরনের প্রতিবেদনের কোনো সত্যতা নেই। এটি তাঁর কাছে একটি ‘অপমানকর’ প্রতিবেদন।

[আরও পড়ুন: ২০২০-তে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের সেরা বাজি হতে পারেন এই হিন্দু মহিলা]

নিউইয়র্ক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এফবিআই তদন্ত করে দেখতে চেয়েছিল ট্রাম্প সচেতন ভাবে ক্রেমলিনের সহায়তা করছিলেন কি না, বা তিনি অসচেতন ভাবে মস্কোর ফাঁদে পড়েছিলেন। তদন্তের দ্বিতীয় অংশ ছিল জেমস কোমিকে বরখাস্ত করা নিয়ে। তাকে বরখাস্তের বিচারে বাধার সৃষ্টি হয়েছে কি না এবং এতে ফৌজদারী অপরাধ হয়েছে কি না?
কোমিকে বরখাস্তের পরই ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ এবং প্রচারে ট্রাম্পকে সহায়তা করার অভিযোগের তদন্তে স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারকে নিয়োগ করা হয়। পত্রিকাটি জানিয়েছে, রবার্ট মুলার এখনও ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়ার আঁতাতের অভিযোগ তদন্ত করছে কি না তা স্পষ্ট নয়। তবে তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here