Connect with us

বিদেশ

আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে “ভারত মাতা কি জয়”, চিনা পণ্য বর্জনের দাবিতে হুঙ্কার

সেখানে “চিনা পণ্য বর্জন করুন”, “চিনা আগ্রাসন বন্ধ হোক” জাতীয় স্লোগানের পাশাপাশি “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগানও উঠতে শোনা যায়।

ওয়েবডেস্ক: চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে (Times Square) বিক্ষোভে শামিল হলেন একটা বড়ো অংশের ভারতীয়-আমেরিকানরা (Indian-American)।

ভারতের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক চিনা পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, চিনা পণ্য বর্জন করে অর্থনৈতিক ভাবে বেজিংকে ‘শিক্ষা’ দিতে হবে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভাবেও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।

নিউ ইয়র্ক (New York) এবং নিউ জার্সিতে (New Jersey) বসবাসকারী ভারতীয় ও অভিবাসীদের সংগঠন ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান অ্য়াসোসিয়েশন (FIA) এই বিক্ষোভের দেখায়। সেখানে “চিনা পণ্য বর্জন করুন”, “চিনা আগ্রাসন বন্ধ হোক” জাতীয় স্লোগানের পাশাপাশি “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগানও উঠতে শোনা যায়।

করোনাভাইরাস মহামারির (Coronavirus pandemic) কারণে প্রতিবাদীরা মাস্ক পরেই বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের হাতে ধরা পোস্টারে নিহত ভারতীয় জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়।

চিনের বিরুদ্ধে অন্যান্যরাও!

ওই ভারতীয়-আমেরিকানদের ওই বিক্ষোভে শামিল হন তিব্বতি এবং তাইওয়ানিজরাও। তাঁরাও চিনা পণ্যে বর্জনের আওয়াজ তোলার পাশাপাশি “মানবতার বিরুদ্ধে চিনা পদক্ষেপে”র বিরুদ্ধে সরব হন। কার‌ও কারও হাতে “ভারতের পাশে তিব্বত” জাতীয় পোস্টারও দেখা যায়।

“বয়কট চায়না” শীর্ষক এই প্রতিবাদসভা আয়োজক হিসাবে ছিলেন সংগঠনের নেতা প্রেম ভাণ্ডারি এবং জগদীশ সেহওয়ানি।

কেন বিক্ষোভ?

সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভাণ্ডারি বলেন, “আজকের ভারত ১৯৬২ সালের ভারত থেকে আলাদা। আমরা চিনা আগ্রাসন এবং এর আন্তর্জাতিক বর্বরতা সহ্য করব না। আমরা চিনের অহঙ্কারকে যথাযথ জবাব দেব”।

তিনি বলেন, “গত ১৫ জুন ভারতের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনার আক্রমণে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হওয়ার ঘটনার পর থেকে আমরা চরম অস্বস্তির মধ্যে রয়েছি। যে কারণে আমরা চিনকে কঠোর বার্তা দিতে চাইছি। সারা বিশ্বের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে থাকা ভারতীয়রা নিজের মাতৃভূমির পাশেই রয়েছেন”।

“চিন ১৪ দেশের সঙ্গে সীমানা ভাগ করেছে। আর ১৮টা দেশের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এটাই তাদের মুর্খামিকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসছে। কিন্তু এটা বন্ধ করার সময় এসেছে। ভারতই তা করে দেখাবে”।

ভারতের অবস্থান

ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার রেশ ধরে একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং উদ্যোগ থেকে চিনা বিনিয়োগ ও পণ্য বর্জনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে জোরালো বার্তা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিএসএনএল, রেল, জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক সংস্থা এবং উদ্যোগ থেকে চিনা বিনিয়োগেও রাশ টানা হয়েছে।

বিদেশ

‘ভাসমান বোমার’ হুমকিকে উপেক্ষা, ক্ষোভে ফুঁসছে বেইরুট

ছ’মাস আগেই গুদামটি পরিদর্শন করে আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, এটা যদি সরিয়ে না যাওয়া হয় তা হলে “পুরো বেইরুট উড়ে যাবে।”

বেইরুট: ক্ষোভ আর আতঙ্ক বাড়ছে লেবাননের রাজধানী বেইরুটে (Beirut)। প্রশাসনের থেকে জানানো হয়েছে মঙ্গলবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত শহরে ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার।

ক্ষোভ বাড়ছে কারণ ‘ভাসমান বোমার’ ব্যাপারে প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হলেও বিশেষ কোনো পদক্ষেপ কোনো দিনই করেনি তারা। বেইরুট বন্দরের গুদামে ২৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত করা ছিল ২০১৪ থেকে। মঙ্গলবার সেটাই বিস্ফোরিত হয় পর পর দু’ বার।

ছ’ মাস আগেই গুদামটি পরিদর্শন করে আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, এটা যদি সরিয়ে না নেওয়া হয় তা হলে “পুরো বেইরুট উড়ে যাবে।”

লেবাননের (Lebanon) সরকারের বিরুদ্ধে এমনিতেই ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের। দেশে আর্থিক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর ফলে মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই এখন দারিদ্রসীমার নীচে চলে গিয়েছে। এর ওপরে আবার যোগ হয়েছে এই বিস্ফোরণের হুমকিকে বার বার উপেক্ষা করার মতো সরকারি গাফিলতি।

বেইরুটের বর্তমান পরিস্থিতি

বুধবার বিকেলে লেবানন সরকার জানিয়েছে যে তদন্তের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত গৃহবন্দি করা হচ্ছে বেইরুট বন্দরের আধিকারিকদের। তবে কত জন আধিকারিককে বন্দি করা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো তথ্য সরকার দেয়নি।

পাশাপাশি, বেইরুটে দু’ সপ্তাহের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে সরকার। যার অর্থ, লেবাননের রাজধানীতে সেনাবাহিনীর ওপরে এখন পূর্ণ ক্ষমতা।

মৃত এবং আহতের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনই বাড়ছে ঘরবাড়ি ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানুষের সংখ্যাও। প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী শহরের তিন লক্ষ বাসিন্দার বাড়ি ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে নতুন লড়াইয়ে নামতে হয় বেইরুটবাসীদের। নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার লড়াই। যে বাড়িগুলো সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়েনি, সেখানেও জানলার কাচ ভেঙেছে, ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিন ফিটিং।

কী ভাবে বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত হল

বেইরুটবাসীর স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বন্দরে মজুত হল কী ভাবে?

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে এক রুশ ব্যক্তির মালিকানাধীন মালদোভার পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজে করে লেবাননে পৌঁছোয় এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। শিপ ট্র্যাকিং সাইট ফ্লেটমোনের তথ্য অনুযায়ী জাহাজটি জর্জিয়া থেকে মোজাম্বিক যাচ্ছিল।

কারিগরি ত্রুটির কারণে জাহাজটিকে বেইরুটের জেটিতে ভিড়তে বাধ্য করা হয়। লেবাবন কর্তৃপক্ষ জাহাজটিকে আটকেই রাখে। বাজেয়াপ্ত করা হয় এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এর পর ওই জাহাজকে বেইরুট বন্দরে রেখেই মালিক ও কর্মীরা চলে যায়।

পরে জাহাজ থেকে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নামানো হয়। রাখা হয় বন্দরের ১২ নম্বর হ্যাঙ্গারে। হ্যাঙ্গারটি মূল শহরে ঢোকার জন্য ব্যস্ততম সড়কের ঠিক ধারেই অবস্থিত।

এর পর ২০১৪-এর ২৭ জুন লেবানন কাস্টমসের পরিচালক শাফিক মেরহি দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য একটি চিঠি পাঠান। এর পরের তিন বছরে আরও পাঁচটি চিঠি দেওয়া হয়।

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-সংক্রান্ত এই ব্যাপারটি সমাধানের জন্য মূলত তিনটে প্রস্তাব দেওয়া হয় এই কার্গো জাহাজের মালিকের কাছে। প্রস্তাবগুলি হল, ১. নাইট্রেট সরিয়ে নেওয়া, ২. লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা, ৩. লেবাননের বেসরকারি বিস্ফোরক কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া।

কিন্তু এই চিঠিগুলোর কোনো জবাব আসেনি কখনও। ছ’মাস আগে গুদামের সেই ১২ নম্বর হ্যাঙ্গার পরিদর্শন করে আধিকারিকদের মত ছিল, ‘ভাসমান বোমা’ মজুত রয়েছে বেইরুটে।

বিস্ফোরণ হল কী ভাবে

কিন্তু এখনও যেটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না, সেটা হল এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটে বিস্ফোরণ হল কী ভাবে। সাধারণত, এতে বিস্ফোরণ হতে গেলে চরম তাপের প্রয়োজন।

তবে একটা ধারণা করা হচ্ছে যে সম্ভবত কাছাকাছি কোনো জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। মঙ্গলবারই বেইরুট পুরসভার নির্দেশে বন্দরের কাছেই একটি জায়গায় যায় দমকলবাহিনী। তার পর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ নেই। এটাই ইঙ্গিত যে আগুন থেকেই ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বসবাসের অযোগ্য

বেইরুটের পূর্বাংশের একটা বড়ো অংশ এখন বসবাসের পুরোপুরি অযোগ্য হয়ে পড়েছে। টায়ারের দোকানের ম্যানেজার ইসাম নাসির বলেন, “আমি জানি না, এই দুর্যোগ কী ভাবে কাটিয়ে উঠব, আপনাদের কী মনে হয় যে হিরোশিমার ঘটনা এর থেকেও ভয়াবহ ছিল?”

কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, কোনো জঙ্গি যোগও নেই। শুধুমাত্র প্রশাসনের তরফে চূড়ান্ত একটা গাফিলতির ফলে বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর ঘটনা ঘটে গেল মঙ্গলবার। সরকারের ওপরে ক্ষোভ যে বাড়বেই তা তো বলাই বাহুল্য।

Continue Reading

বিদেশ

বেইরুটের কিছু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত, নিহত শতাধিক

এই ঘটনায় জঙ্গিযোগ নেই বলেই মনে করছে লেবানন সরকার।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: মঙ্গলবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণের অভিজ্ঞতা এখনও ভুলতে পারেননি লেবাননের রাজধানী বেইরুটের (Beirut) বাসিন্দারা। বুধবার সকালেও বিস্ফোরণের প্রভাব রয়ে গিয়েছে শহরে। শহরের বেশ কিছু এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত। এখনও ধিকি ধিকি আগুন জ্বলছে বন্দর এলাকায়।

লেবাননের (Lebanon) রেড ক্রস জানিয়েছে যে ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আহতের সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি।

মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বুধবার জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব।

মঙ্গলবার বিকেলে পর পর দু’টো জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বেইরুটের বন্দর এলাকা। এর তীব্রতা এতটাই ছিল  যে ১০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কম্পন অনুভূত হয় বেইরুটের ২৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে সাইপ্রাস দ্বীপেও।

এই ঘটনায় জঙ্গিযোগ নেই বলেই মনে করছে লেবানন সরকার। প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বন্দর এলাকার একটি গুদামে ২৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত ছিল গত ছয় বছর ধরে। তাতেই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী এ-ও জানিয়েছেন, এত বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক মজুত কী ভাবে করা হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়া কেন এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে। এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

একটা তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ দিনের মধ্যে সেই কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, গুদামে বা তার আশপাশে আগুন লেগে গিয়েছিল। সেই আগুনের জেরেই বিস্ফোরণ ঘটেছে।

বিস্ফোরণস্থলের কাছাকাছি সব ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে বেশ কয়েকটি বহু তল। সেই ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যান অনেক মানুষ। এমনটাই জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বেইরুটের বিস্ফোরণে এত লোকের প্রাণহানি হল, তার জন্য আমরা গভীর ভাবে শোকাহত।

Continue Reading

বিদেশ

বন্দর কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী, উলটো সুর ডোনাল্ড ট্রাম্পের

“এটা এক ধরনের বোমা।”

বেইরুট: লেবাননের রাজধানী বেইরুটে (Beirut) ভয়াবহ বিস্ফোরণের পেছনে কোনো জঙ্গিযোগ নেই বলেই মনে করছে সে দেশের সরকার। বরং বন্দর কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত গাফিলতিকেই এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করেছেন। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) আবার অন্য কথা বলছেন।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব বলেন, ২,৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (Ammonium Nitrate) বিস্ফোরিত হয়েছে বেইরুট বন্দরে।

তিনি বলেন, “এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না যে ছ ‘বছর ধরে কোনো সুরক্ষা ছাড়াই একটা গুদামে ২,৭৫০ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত রাখা ছিল।” তাঁরা এটা নিয়ে নীরব থাকবেন না বলেও সাফ জানিয়েছেন দিয়াব।

ট্রাম্প দেখছেন জঙ্গিযোগ

“আমার দেখে মনে হচ্ছে এটা একটা হামলার ঘটনা।” হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সাধারণত, এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটলে জঙ্গি সংগঠনগুলি তার দায় স্বীকার করে নেয়। কিন্তু বেইরুটের ক্ষেত্রে এখনও সে রকম কিছু হয়নি। কিন্তু তবুও ট্রাম্প জঙ্গিযোগই দেখছেন।

তিনি বলেন, “এটা এক ধরনের বোমা। আমি আমাদের মহান সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি, তারাও সে রকমই ভাবছেন।”

তবে ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, “মৃত এবং আহতদের পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানাচ্ছি। লেবাননকে যে কোনো ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত আমেরিকা।”

উল্লেখ্য, বেইরুটের এই বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩,৭০০ জন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পাড়ে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

কেনাকাটা17 hours ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা6 days ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা1 week ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা2 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা2 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা3 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

কেনাকাটা4 weeks ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

নজরে

Click To Expand