pakistan

ওয়েবডেস্ক: বিয়েবাড়িতে সোনাদানার ছড়াছড়ি দেখাটা খুব একটা আশ্চর্য কিছু নয়। নববধূটিকে তো যতটা পারা যায়, সোনায় মুড়ে সম্প্রদান করাই রীতি। সে হিসাব বাদ দিলেও যে দুই পরিবারে বিয়ে হচ্ছে, তাদের সদস্যদের এবং আমন্ত্রিতদেরও গয়নার বাহার হয় দেখার মতো!

স্বাভাবিক! রোজ কি গা ভরে গয়না পরে কোথাও যাওয়ার সুযোগ আসে?

সুযোগ মেলে না বলেই লাহোরের এক ব্যবসায়ী, যাঁর নাম হাফিজ সলমন শাহিদ, নিজেকে আপাদমস্তক সোনায় মুড়ে হাজির হলেন বিয়ে করতে। এমনটা অবশ্য নজিরহীন! সাজগোজের দিক থেকে বরাবর-ই তো নারীদের তুলনায় পিছিয়ে থাকেন পুরুষরা।

কিন্তু শাহিদ আর যা-ই হোক, গয়নাগাটি পরে বিয়ে করতে আসেননি। এসেছেন পাক্কা স্যুটেড-বুটেড হয়ে। এবং স্যুট, টাই, পায়ের জুতো- পুরোটাই সোনার!

জানা গিয়েছে, শাহিদের স্যুটটি তৈরি হয়েছে সোনার সুতোয়, সঙ্গে রয়েছে নানা রত্নের নকশা। এটা তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৩ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা। ১০ তোলা সোনাকে স্ফটিকায়িত করে তৈরি হয়েছে একটা টাই, যার খরচ পড়েছে ৫ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা। যদিও আসল চমক লুকিয়ে রয়েছে ৩২ তোলা সোনা দিয়ে বানানো শাহিদের জুতোয়! এটাই সবার নজর কেড়ে নিয়েছে। জানা গিয়েছে, এর দাম পড়েছে ১৭ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা!

সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠছে- হঠাৎ কেন এত টাকা খরচ করে সোনার জুতো বানাতে গেলেন শাহিদ? বরের বক্তব্য- সবাই সোনা গায়ে পরে, কিন্তু তিনি পায়ে পরেন! সম্পদ নিয়ে যে মাতামাতি করতে নেই, সেই বার্তা দেওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য!

তা-ই যদি হবে, তা হলে সোনার স্যুট আর টাই কেন পরে রয়েছেন তিনি?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন