২০১৬ সালের সাহিত্যে নোবেলজয়ী হিসেবে ঘোষিত হয়েছে তাঁর নাম। মিডিয়া, খবরের কাগজ, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তাঁকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। শুধু আশ্চর্য রকম শান্ত রয়েছেন ডিলান নিজে। জানা যায়নি তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়াও।

‘মার্কিন সঙ্গীতের ধারায় নতুন কাব্যিক প্রকাশ নিয়ে আসার জন্য’ তাঁকে এই সম্মান জানিয়েছে সুইডেনের নোবেল কমিটি। তাঁদের পক্ষ থেকে একাধিক বার যোগাযোগ করা হয়েছে ডিলানের ম্যানেজার এবং বন্ধুদের সাথে। যদিও সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছতে পারেননি কেউই।

এমনকি নোবেল ঘোষণার দিনেও লাস ভেগাসের কনসার্টে এই প্রসঙ্গে একটিও কথা বলেননি ৭৫ বছরের এই গায়ক। তারপর কেটে গিয়েছে আরো দিন পাঁচেক। এখনও ততটাই চুপ তিনি। বব ডিলান কি তবে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান?

নোবেলের ইতিহাস বলছে এর আগে ছ’জন নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার মধ্যে সাহিত্যে দু’জন। বরিস পাস্তেরনাক ও জাঁ পল সাত্রেঁ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব। সে প্রভাব রাষ্ট্রীয়ই হোক কিংবা ব্যক্তিগত মতাদর্শের। কিন্তু ষাটের দশক পেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে দুনিয়ার যাবতীয় ঘটনায় নীরব থাকা ডিলানও যদি নোবেল প্রত্যাখ্যানের পথে হাঁটেন, তাহলে কী হতে পারে তার কারণ? আপাতত তা নিয়েই সরগরম দুনিয়া। ধোঁয়াশা কবে কাটবে, এখনও স্পষ্ট নয়। কোনও মহলের খবর, শনিবার প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারেন ডিলান।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন