Japan
ক্ষমাপ্রার্থনা করছেন খেলোয়াড়রা।

ওয়েবডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার অদূরে একটি কুখ্যাত নিষিদ্ধপল্লিতে তাঁদের দেখা মিলতেই শাস্তির খাড়া নেমে এল ভবিষ্যতের উপর। বুধবার জাপানের সরকারি ক্রীড়া বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধপল্লিতে যৌনতা কিনতে যাওয়ার অপরাধে চার বাস্কেটবল খেলোয়াড়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

জাপানের বাস্কেটবল দলের চার নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় ইয়ুয়া নাগাশি, তাকুয়া হাশিমোতো, তাকুমা সাতো এবং কেতা ইমামুরা। এশিয়ান গেমস তো আছেই পাশাপাশি ২০২০-র অলিম্পিকের জন্যও তাঁদের উপর রয়েছে বড়োসড়ো দায়িত্ব। কিন্তু জাকার্তায় নিয়ম বহির্ভূত আচরণের জন্য তাঁদের এক বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হল।

জাপানের বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ইয়োকো মিতসুয়া বলেছেন, জাপানের ক্রীড়া জগতের সম্মান ও বিশ্বাসে আঘাত করেছেন ওই চার খেলোয়াড়। যে কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তি নিতে বাধ্য হল অ্যাসোসিয়েশন।

সাতো অবশ্য দেশে ফিরে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেছেন, “আমি এ ধরনের নীতিহীন কাজের জন্য শুধু মাত্র বাস্কেটবল প্রেমীদের কাছে নয়, গোটা দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি। বুঝতে পারছি এমন আচরণে আমি তাঁদের অপরিসীম কষ্ট দিয়েছি”।


আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমস ২০১৮ একাদশ দিন লাইভ: হেপ্টাথেলনে সোনা জিতলেন স্বপ্না


অথচ, প্রাথমিক ভাবে তাঁরা দাবি করেছিলেন, একজন দালালের মারফত কোনো এক হোটেলে যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু জাপানেরই একটি সংবাদপত্র ফাঁস করে দেয় তাঁরা আদতে কোথায় গিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই প্রমাণ হাতে পেয়ে কড়া ব্যবস্থা নেয় অ্যাসোসিয়েশন। অতীতে ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসে জাপানের সাঁতারু নাওয়া তোমিতা এক সাংবাদিকের ক্যামেরা চুরির ঘটনায় ধরা পড়েছিলেন। শাস্তিস্বরূপ তাঁকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন