কাশ্মীর সমস্যা গোটা উপমহাদেশকে পণবন্দি করে রেখেছে, বললেন ইমরান খান

0

ওয়েবডেস্ক: দু’ দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক চান তিনি। তাঁর মতে, দু’ দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালো হলে দু’ দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে এবং দু’টি দেশই সমৃদ্ধ হবে। তিনি মনে করেন, কাশ্মীর গোটা উপমহাদেশকে পণবন্দি করে রেখেছে।

তিনি, মানে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান। এবং যে দু’টি দেশের কথা তিনি বলছেন সে দু’টি দেশ স্বাভাবিক ভাবেই পাকিস্তান ও ভারত।

Loading videos...
আরও পড়ুন ‘জিতলে কাশ্মীর এনে দেব’, ভোট টানতে মরিয়া নওয়াজের ভাই শেহবাজ

২৫ জুলাই, বুধবার পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন। সেই নির্বাচনের প্রাক্কালে উইওন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খান। ইমরানের দল এ বারের নির্বাচনে বেশ বেগ দিচ্ছে বাকি দুই দল নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ এবং বিলাবল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টিকে। এমনকি ইমরানকে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদের বড়ো প্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করা হচ্ছে।

উইওন-কে ইমরান বলেন, “ভারতের সঙ্গে আপনার যদি ভালো সম্পর্ক থাকে, তা হলে বাণিজ্যের পথ খুলে যাবে এবং বাণিজ্যের হাত ধরে তৈরি হবে বড়ো বাজার। এতে দুই দেশেরই ভালো হবে।”

আরও পড়ুন চরমপন্থা দূর করে নতুন উন্নয়নশীল পাকিস্তান গড়ার ডাক বেনজির-পুত্রের

দুই দেশের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে, সে প্রসঙ্গে পিটিআই প্রধান বলেন, এই বিবাদ পুরো উপমহাদেশকে পণবন্দি করে রেখেছে। তবে ভারতের সঙ্গে শান্তি রক্ষার্থে পাকিস্তানের আগেকার সরকারগুলো যে সব উদ্যোগ নিয়েছে তার প্রশংসা করেন ইমরান।

ইমরান বলেন, “ঠিক এই মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে সমস্যা হল কাশ্মীর নিয়ে। ভারতের সঙ্গে যথাযথ ও উন্নত সম্পর্ক রাখতে যে চেষ্টা চালানো হয়েছে, তার জন্য পাকিস্তানকে আমি পুরো কৃতিত্ব দিই। তবে আমি বিশ্বাস করি ভারতের সঙ্গে আমাদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক রাখা উচিত কারণ কাশ্মীর সমস্যা পুরো উপমহাদেশটাকেই পণবন্দি করে রেখেছে।”

আরও পড়ুন পাকিস্তান নির্বাচন, কোন দলের থেকে কী আশা করতে পারে ভারত?

ইমরান অবশ্য স্বীকার করেন, পাকিস্তানের অর্থনীতি এখন দেউলিয়া হওয়ার দোরগোড়ায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য এখনই নজর দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.