selfie

ওয়েবডেস্ক: সেলফি তোলার নেশা বেপরোয়া হলে তার খেসারত যে দিতে হয় প্রাণ দিয়ে, এ রকম খবর নিশ্চয়ই জীবদ্দশায় চোখে পড়েছিল দক্ষিণ তুরস্কের হালিল দাঘের। কিন্তু মৃত্যুর আগের মুহূর্তেও বুঝতে পারেননি তিনি, জন্মদিন এসে দাঁড়িয়েছে মৃত্যুদিনের চৌকাঠে।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ তুরস্কের অধিবাসী হালিল দাঘ জন্মদিনে বন্ধুদের সঙ্গে হৈহুল্লোড় করতে বেরিয়েছিলেন। তাঁদের এ বারের জন্মদিনে গন্তব্য ছিল দক্ষিণ তুরস্কের বিখ্যাত উরফা দুর্গ। নয়নাভিরাম নিসর্গ, দুর্গের বিশালতা আর দুর্গের প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নানা খাওয়ার জায়গা – সব মিলিয়ে জন্মদিনটা ভালোই কাটবে ভেবেছিলেন সকলে।

কিন্তু নিয়তি অলক্ষ্যে যে হাসছে, সে কথাটা বুঝতে পারেননি কেউই। তাই হালিল যখন সেলফি তোলার জন্য দুর্গের সর্বোচ্চ প্রাকারে গিয়ে হাজির হন, কেউ তাঁকে বারণ করেননি। বন্ধুরা সবাই খুব সম্ভবত তখন ভাবছিলেন, হালিলের সেলফি তোলা হয়ে গেলে তাঁরাও এক এক করে ওই বিশেষ জায়গায় গিয়ে ছবি তুলে আসবেন।

সে সাধ মিটতে সময় লাগেনি যখন দেখা গেল, একটা লাফ দেওয়ার পর তারের বেড়ায় হোঁচট খেয়ে গড়িয়ে পড়ছেন হালিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পড়ার সময় আপ্রাণ একটা কিছু ধরার চেষ্টা করছেন যুবক। কিন্তু, মৃত্যু ততক্ষণে তাঁকে হাতছানি দিয়ে ফেলেছে। ফলে, সব প্রচেষ্টাই বৃথা, ৫০ মিটার উপর থেকে গড়িয়ে পড়লেন হালিল। তাঁর দেহ এসে পড়ল দুর্গের প্রাঙ্গণের এক কুর্দিশ কাফের সামনে!

সঙ্গে সঙ্গে হালিলকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী হাসপাতালে। সেখানে পৌঁছোনোর পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

হালিলের মৃতদেহ তাঁর শোকস্তব্ধ পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন বন্ধুরা। যদিও ঘটনাটি বাকরুদ্ধ করে রেখেছে সকলকেই!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন