নিউ ইয়র্ক:  “একজন ক্ষমতাবান মানুষ যখন তাঁর পদমর্যাদা ব্যবহার করে অন্যকে বোকা বানান, খোলাখুলি তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করেন, সেটা মানবিকতার হার। আর এই রকম এক ঘটনা আমায় খুব অবাক করেছে। সাধারণ মানুষও ভুলতে বসেছে, কোনটা তার অধিকার, কোনটা নয়। অসম্মান ডেকে আনে অসম্মান, হিংসেই জন্ম দেয় হিংসের” — গোল্ডেন গ্লোবের মঞ্চে ঝাঁ চকচকে সেট, উপচে পড়া গ্ল্যামারকে ছাপিয়ে বারবার অনুরণিত হল এই কথাগুলোই। ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম না করেও তাঁর সমালোচনায় মুখর হলেন অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপ।

সেসিলবি ডেমিলি সম্মান গ্রহণ করতে মঞ্চে উঠে মেরিল বুঝিয়ে দিলেন, শুধু রুপোলি পর্দার  মধ্যেই আটকে নেই তাঁর জীবনবোধ। দর্শকদের মনে করিয়ে দিলেন, হলিউডের নিজস্ব কিছু নেই। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে গড়ে তুলেছে এই হলিউড। এখানেও আঘাত হানলেন ট্রাম্পের উগ্র জাতীয়তাবাদের ভাবনার ওপর, যা সম্বল করেই ক্ষমতায় বসবেন রিপাবলিকান প্রার্থী। এক সাংবাদিককে ভেঙিয়ে গত বছরে তিনি আলোচনায় ছিলেন বেশ কিছু দিন। গোল্ডেন গ্লোবের মঞ্চে মেরিল সেই প্রসঙ্গ এনে প্রশ্ন তোলেন ভাবী প্রেসিডেন্টের রুচিবোধের।

ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, মেরিলের মন্তব্যে তিনি বিস্মিত নন। তাঁকে ‘হিলারি-প্রেমিক’ বলে বর্ণনা করে তাঁর মন্তব্য, এর আগেও ‘চলচ্চিত্রের উদারপন্থী মানুষজন তাঁকে আক্রমণ করেছেন।  

রেকর্ড গড়ল ‘লা লা ল্যান্ড’

একটা-দুটো নয়, সাত সাতটা বিভাগে পুরস্কার পেয়ে রেকর্ড করল লা লা ল্যান্ড। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা,  শ্রেষ্ঠ পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের তালিকায় পুরস্কার জিতল চলচ্চিত্রটি। বছরের শ্রেষ্ঠ ড্রামার তকমা পেল মুনলাইট।

priyanka

 

বিদেশেও তাক লাগালেন ‘দেশি গার্ল’

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জন্য এটাই ছিল প্রথমবার। গোল্ডেন গ্লোবের পুরস্কার বিতরণীতে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁকে দিয়ে টেলিভিশন বিভাগের একটি পুরস্কার দেওয়ানো হয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এর আগে পুরস্কার দিলেও গোল্ডেন গ্লোবের মঞ্চে এই প্রথম দেখা গেল প্রিয়াঙ্কাকে। সোনালি গাউনে স্বচ্ছন্দ আর আত্মবিশ্বাসী প্রিয়াঙ্কা নজর কাড়লেন সবার। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here