ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন রাশিয়া, ভারত এবং চিনের বিদেশমন্ত্রীরা। সেই সূত্রেই জানা যায়, আগামী নভেম্বর মাসে সৌদি আরবের রিয়াধে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 summit) যোগ দিতে যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। যদিও বৈঠকের অংশ নিলেও দুই দেশের রাষ্ট্রনেতা পৃথক কোনো আলোচনায় অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করা হয়নি কোনো তরফেই।

গত ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর চিনের তরফে মোদী, জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বৈঠকের প্রস্তাব করা হয় চিনের তরফে। কিন্তু এ মুহূর্তে যা পরিস্থিতি, সেখানে দাঁড়িয়ে দুই দেশের প্রধান মুখোমুখি বৈঠকে বসবেন কি না, তা নিয়েই জোর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে কূটনৈতিক মহলে।

তবে ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং ওয়াং ওয়াইয়ের (Wang Yi) সঙ্গে ভিডিও বৈঠকের পর রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ (Sergei Lavrov) জানান, কোভিড-১৯ (Covid-19) পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে প্রতিরক্ষমন্ত্রীদের একটি বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে কোনো যৌথ বিবৃতি না দেওয়ার কারণে, ওই বৈঠক নিয়ে ভারতের অনীহা রয়েছে বলেই ধারণা করছেন কূটনীতিকরা।

কতকটা একই ভাবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে গিয়ে চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদী কোনো পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন চিহ্ন রয়ে গিয়েছে। কারণ, এর আগে ২০১৭ সালে জার্মানিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদী-জিনপিং। কিন্তু সে সময় ডোকলাম পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলাদা করে কোনো বৈঠক হয়নি।

প্রসঙ্গত, শেষ কয়েক মাস ধরে ভারত-চিন সীমান্তে দুই দেশের সেনার মধ্যে ধারাবাহিক সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর ভারতের দিকে মুখ করে চিনা সেনার নির্মাণকাজ এবং এলাকায় চিনা সেনার সংখ্যা বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করেই ওই সংঘর্ষ বলে জানা যায়। তবে শেষ কয়েক দিন ধরে উভয়পক্ষের একাধিক সামরিক এবং কূটনৈতিক বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত থিতু হয়েছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন