নিউ ইয়র্কে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল দশ হাজার, গভর্নর ঘোষণা করলেন, “খারাপ সময়ে পেরিয়ে গেল”

0

নিউ ইয়র্ক: ‘ওয়ার্স্ট ইজ ওভার।’ অর্থাৎ খারাপ সময়ে পেরিয়ে গিয়েছে। যে দিন করোনায় মৃতের সংখ্যা নিউ ইয়র্কে (New York) দশ হাজার পেরোলো, সে দিনই এই ঘোষণা করলেন ওই অঞ্চলের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো (Andrew Cuomo)।

করোনাভাইরাসে (Coronavirus) সব থেকে খারাপ অবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA)। আর সেই দেশে করোনার ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে নিউ ইয়র্ক। গোটা দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজারের বেশি, যার মধ্যে শুধুমাত্র নিউ ইয়র্কেই দশ হাজারের ওপর। তবে কিছুটা হলেও আশার কথা হল যে গত দু’দিনে মৃতের সংখ্যা কিছুটা কমেছে আমেরিকায়।

Loading videos...

এই পরিস্থিতিতে কুয়োমো ঘোষণা করেছেন যে লকডাউন পরবর্তী পরিকল্পনা তিনি ইতিমধ্যেই করতে শুরু করে দিয়েছেন।

অন্য দিকে করোনাভাইরাসে জর্জরিত ইউরোপের (Europe) দুই দেশ স্পেন (Spain) আর ইতালিও (Italy) লকডাউন-পরবর্তী পরিকল্পনা করতে শুরু করে দিয়েছে। মাদ্রিদে (Madrid) রাস্তায় বেরোতে শুরু করে দিয়েছেন বাসিন্দারা। মাদ্রিদে কিছু কলকারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্পেন সরকার। যদিও দেশের বাকি অঞ্চল এখনও লকডাউনের মধ্যেই রয়েছে।

আরও পড়ুন লকডাউন তোলার আগের মুহূর্তেই প্রথম করোনারোগীর সন্ধান পেল এই রাজ্য

গত দশ দিন ধরে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ কমছে ইতালিতে। যদিও এখনও সে দেশে গড়ে দু’হাজার করে নতুন সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে, তবুও এই সংখ্যাটা আগের তুলনায় অনেক কম। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারই কিছু বইয়ের দোকান আর লন্ড্রি পরীক্ষামূলক ভাবে খোলার অনুমতি দিয়েছে ইতালি সরকার, যদিও সরকারি ভাবে সেখানে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ৩ মে পর্যন্ত।

অন্য দিকে জামার্নি (Germany) আগামী সপ্তাহ থেকেই লকডাউন তুলে দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। সে দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়ালেও, গোটা ইউরোপের মধ্যে মৃত্যুহার সব থেকে কম জার্মানিতে।

ব্রিটেন (Britain) আর ফ্রান্সে (France) মৃত্যুর হার একটু কমলেও তারা এখনই লকডাউন তোলার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.