খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিউজিল্যান্ড (New Zealand) এখন করোনামুক্ত। সোমবার দেশের শেষ সক্রিয় করোনারোগীও সুস্থ হয়ে উঠেছে। দেশে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে না কি তুলে দেওয়া হবে, সেটা সোমবারই ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন (Jacinda Arden)।

নিউজিল্যান্ডে প্রথম করোনারোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। মাত্র ৪৯ লক্ষ জনসংখ্যার এই দেশে করোনা ছড়াতে শুরু করলে ভয়াবহ ব্যাপার হতে পারে, সেটা আন্দাজই করেছিলেন জেসিন্ডা। আর সেই কারণেই দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেন তিনি।

লকডাউনে যথেষ্ট কড়াকড়ি ছিল এই দেশে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা যুক্ত মানুষদের আর অত্যাবশ্যকীয় পণ্য কেনার জন্য ছাড় ছিল। সাধারণ মানুষের বাড়ির বাইরে বেরোনো ছিল পুরোপুরি নিষিদ্ধ। ভারতের লকডাউন ১-এর মতোই ব্যাপারটা ছিল।

গত ১৫ মে থেকে লকডাউনের (Lockdown) নিয়মকানুন অনেকটাই শিথিল করা হয় দেশে। কারণ করোনাভাইরাসের কার্ভটি নিম্নমুখী হতে শুরু করে। তবে রাস্তায় বেরোলেও সাধারণ মানুষকে শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে চলতেই হত।

নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুযায়ী ২৮ দিন যদি নতুন কোনো করোনারোগীর সন্ধান না পাওয়া যায়, তা হলে সরকারি ভাবে করোনামুক্ত হবে দেশটি। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ১৫ জুনই সেই স্বীকৃতি অর্জন করতে পারে এই দ্বীপরাষ্ট্রটি।

প্রধানমন্ত্রী তথা লেবার পার্টির নেত্রী জেসিন্ডা যে ভাবে করোনা সংকট মোকাবিলায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাতে দেশে তো বটেই, গোটা বিশ্বে তাঁর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী চার মাসের মধ্যেই নিউজিল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন দ্বিতীয় দফায় মসনদ দখল করার জন্য অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন ৩৯ বছর বয়সি এই তরুণী প্রধানমন্ত্রী।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন