jacinda ardern

ওয়েবডেস্ক: চলতি বছরের জুন মাসে তিনি যে সন্তান প্রসব করতে চলেছেন, সে খবরটা ইনস্টাগ্রাম মারফত সবাইকে আগেই জানিয়েছিলেন জেসিন্ডা আরডার্ন। তখন ২০১৭ সাল। এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁর অবস্থানের আগে মাত্র ৬ দিন বাকি!

কিন্তু একবারের জন্যেও মাতৃত্বকালীন অবসর নেননি নিউজিল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী। বরং, সমানে চালিয়ে গিয়েছেন নিজের কাজ। তার মাধ্যমেই জুতসই জবাব দিয়েছেন বিরোধীদের। কেন না, এক টিভি টক শো-তে বিরোধী দলের জনৈক নেতা আরডার্নের কাছে জানতে চান, তিনি সন্তান চান, না পেশাগত জীবনের সাফল্য চান? উত্তরে আরডার্ন বলেছিলেন, ২০১৭ সালে এ ধরনের প্রশ্ন একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। এটা একজন নারীর সিদ্ধান্ত, কখন তিনি সন্তান নেবেন। চাকরি বা চাকরির সুযোগের সঙ্গে এটা সম্পর্কিত নয়!

পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী, সন্তানের জন্মের পরে তিনি স্বামী ক্লার্ক গেফোর্ডের সঙ্গে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে ছয় সপ্তাহের ছুটিতে যাবেন। “আমি যখন ছুটিতে থাকব তখন পিটার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। আমার কার্যালয়ে তিনি কাজ করবেন এবং সব বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন”, নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টির নেতা উইনস্টন পিটারের নামোল্লেখ করে এ কথা জানিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি, ছয় সপ্তাহ ছুটিতে থাকাকালীন যখনই প্রয়োজন হবে, তখনই তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে বলেও জানান তিনি।

যাই হোক, জানা গিয়েছে, সেই ছুটিতে যাওয়ার সময় চলে এসেছে। কেন না, একটি কন্যা সন্তানের গর্বিত মা হিসাবে নিজের পরিচয় লিপিবদ্ধ করে ফেলেছেন আরডার্ন। খবর বলছে, অফিসে থাকার সময়েই তাঁর প্রসববেদনা শুরু হয়েছিল। এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here