north korea south korea

ওয়েবডেস্ক: এপ্রিলের শেষে দুই কোরিয়ার মধ্যে যে উষ্ণ সম্পর্কের ছবি দেখা গিয়েছিল হঠাৎ করেই তা উধাও হয়ে গেল। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমস্ত আলোচনা সাময়িক ভাবে বাতিল করে দিল উত্তর। ফলে সামনের মাসের প্রস্তাবিত ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠকের ওপরে বড়োসড়ো প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিল।

যে কারণে হঠাৎ করে আলোচনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত উত্তর কোরিয়া নিল, তার নেপথ্যেও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিবাদে এই আলোচনা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান নিয়ে ‘ম্যাক্স থান্ডার’ নামক এই মহড়ার তীব্র প্রতিবাদ করেছে উত্তর কোরিয়া। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, এই মহড়ার লক্ষ্য কোনো তৃতীয় শক্তির প্রতি পেশি আস্ফালন নয়, বরং নিজেদের পাইলটদের আরও দক্ষ করে তোলা।

সেই দাবি অবশ্য মানতে রাজি নয় উত্তর কোরিয়া। এই মহড়াকে দু’দেশের সম্পর্কের উষ্ণতার বিরুদ্ধে গিয়ে প্ররোচনা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, “দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে যে মহড়া চলছে, তা আমাদের লক্ষ্য করেই করা হচ্ছে।”

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা বন্ধ করে দিলে প্রভাব পড়তে পারে ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠকেও। সেই বৈঠককে বাতিলও করে দিতে পারে উত্তর কোরিয়া। আগামী ১২ জুন আয়োজিত এই বৈঠকের দিকে খুব উৎসাহে তাকিয়ে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে সেই বৈঠক যদি উত্তর কোরিয়া বাতিল করে দেয়, তার দায় ট্রাম্পকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

তাঁদের বক্তব্য, সারা দুনিয়া জানে উত্তর কোরিয়া ইরাক বা লিবিয়া নয়। ওই দুই দেশে যে ভাবে নিরস্ত্রীকরণ হয়েছে, এখানে তা সম্ভব নয়। আর আমেরিকা যদি ভাবে, ওদের দেশে ব্যবসা করতে দিলেই আমরা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করব, তাহলে সেটা ভুল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here