ওয়েবডেস্ক: ‘লেখাপড়া করে যে, গাড়িঘোড়া চড়ে সে’ আজন্ম শুনে আসা এই প্রবাদ এবার পালটানোর সময় এসেছে। লেখাপড়া করলে শুধু গাড়ি ঘোড়া চড়া যায় না, বেশি দিন বাঁচাও যায়। এবং সেও প্রায় গড়ে সাড়ে সাত বছর বেশি। সম্প্রতি ওইসিডি (অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট)-র পক্ষ থেকে পেশ করা এক রিপোর্ট বলছে, উন্নত অর্থনীতির দেশে উচ্চ শিক্ষার সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের গড় আয়ুর সম্পর্ক সমানুপাতিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী যে কোনও তরুণের গড় আয়ু নাকি ততটা উচ্চশিক্ষিত নয়, এমন কারোর তুলনায় সাড়ে সাত বছর বেশি। প্রাপ্ত শিক্ষার তফাতে গড় আয়ুর এই ব্যবধানু ক্রমশ বাড়ছে, সেটাও বেরিয়ে এসেছে ওইসিডি-র সমীক্ষাতেই।

২৫ বছর এবং ৬৫ বছর বয়সে গড় আয়ুর সঙ্গে শিক্ষার সম্পর্ক কতটা নিবিড় তার এক তুলনামূলক পর্যবেক্ষণ লেখচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে ‘প্রিভেন্টিং এজিং আনইকুয়ালি’ শিরনামের রিপোর্টে। হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্রের দেশে এই ব্যবধান অতি তীক্ষ্ণ, লেখচিত্র থেকে তা স্পষ্ট। ইতালি, ব্রিটেন, কানাডার মতো দেশে সে ব্যবধান অপেক্ষাকৃত কম। তবে তরণদের ক্ষেত্রে ওই ব্যবধান যতটা বেশি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে ততটা নয়। সেক্ষেত্রে ওই ব্যবধান কমে যায়(ওপরের লেখচিত্রে স্পষ্ট)

চলতি মাসে প্রকাশ পাওয়া ওইসিডি-র রিপোর্টে বিষদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কী ভাবে অর্থনীতিগত ভাবে উন্নত দেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে, পেশাগত জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরবর্তী বেঁচে থাকা ‘সহজ’ হচ্ছে। উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা, জীবনের মান, বীমা, অবসরপ্রাপ্ত জীবনেও এই সবকিছুতে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন গুনগত মানের নিরিখে বিচার করলে যারা উৎকৃষ্ট মানের চাকরি করেছেন, তাঁরাই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here