Connect with us

বিদেশ

ইমরান খানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরোধীদের

Imran-Khan

ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর বার্ষিক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ভারত। তবে তাঁর এই সম্ভাব্য ভারত সফর আদৌ সঠিক পদক্ষেপ কি না, তা নিয়েই দেশের অন্দরে চলছে জোর জল্পনা।

বিভিন্ন বিরোধী দলগুলি ইমরানের সম্ভাব্য ভারত সফরের বিরোধিতা করছে। আবার কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে না চাইলেও অনেকেই কেন্দ্রের পদক্ষেপকে সমর্থন জানাচ্ছে।

২০০১ সালে রাশিয়া, চিন, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, কাজাখাস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতিদের সহমতের ভিত্তিতে সাংহাইয়ের একটি শীর্ষ সম্মেলনে এসসিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গত ২০০৫ সাল থেকে এসসিও-তে পর্যবেক্ষক দেশ হিসাবে ছিল ভারত। ২০১৭ সালে পাকিস্তান এসসিও-র পূর্ণাঙ্গ সদস্য হয়ে ওঠে।

চলতি বছরেই ভারত প্রথমবারের জন্য এই সংগঠনের আয়োজন করছে। স্বাভাবিক ভাবেই সদস্য দেশগুলির শীর্ষস্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকাটাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু ভারত-পাক কূটনৈতিক সম্পর্কের জেরে ইমরানকে আমন্ত্রণ জানানো অথবা সেই আমন্ত্রণ রক্ষায় তাঁর ভারত আগমন নিয়ে দুই দেশের রাজনৈতিক মহলে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও আপাতত বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের নেতা আনন্দ শর্মা জানিয়েছেন, “এ বিষয়ে মন্তব্য করা নিষ্প্রয়োজন। ভারত আয়োজক দেশ, স্বাভাবিক ভাবেই পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানোই রীতি। কিন্তু ইমরান খান আসবেন কি না, সেটা তাঁদের ব্যাপার”।

তবে এনসিপির তরফে বিরোধিতা করা হয়েছে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের। দলের নেতা মজিদ মেনন জানিয়েছে, এখানে অন্তরঙ্গতার কোনো স্থান নেই।

আরজেডি নেতা মনোজ ঝা জানান, এক দিকে আমরা সম্পর্ক ত্যাগ করার কথা বলছি, অন্য দিকে আবার তাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। উন্নত গণতন্ত্রে এ ধরনের আচরণ মানায় না।

আরও পড়ুন: পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক এবং সুরক্ষা সম্পর্কিত এই সংগঠনটিতে বর্তমানে সদস্য দেশের সংখ্যা আট। তবে সংগঠনে চিনের প্রভাবই অত্যধিক।

বিদেশ

হোয়াইট হাউজের সামনে ফের কাঁদানে গ্যাস পুলিশের, সেনা নামানোর হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

নিউ ইয়র্ক: হোয়াইট হাউজের (White House) সামনে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে কাঁদানে গ্যাস আর রবার বুলেট ফাটালো পুলিশ। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের মতে, ওই বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণই ছিল। এ দিকে বিক্ষোভকারীদের দমন করতে গোটা দেশেই সেনা নামানোর হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

হোয়াইট হাউজের উলটো দিকেই লাফায়েট পার্ক। সেখানেই জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন প্রতিবাদীরা। রয়টার্সের চিত্রসাংবাদিক জোনাথান আর্ন্সট জানান, কাঁদানে গ্যাস আর রবার বুলেট ফাটিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

ঠিক একই সময়ে হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি ‘অবিলম্বে’ এই বিক্ষোভ থামিয়ে দেবেন। বিক্ষোভ দমন করার জন্য গোটা দেশে সেনা নামানোর হুমকিও দেন তিনি। তবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নররা যদি ন্যাশনাল গার্ডকে পথে না নামান, তখনই সেনাকে ডাকবেন বলে জানান প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, “মানুষের প্রাণ এবং সম্পত্তি বাঁচানোর জন্য গভর্নররা যদি ন্যাশনাল গার্ডকে এখনই না ডাকেন, তা হলে আমি সেনা ডাকব আর এখুনি সব কিছুর সমাধান করে দেব।”

উল্লেখ্য, মিনেপলিসের (Minneapolis) এক পুলিশ অফিসার প্রায় ন’মিনিট কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরে থাকে। এর জেরে পুলিশি হেফাজতে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক বিক্ষোভ। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি বহু শ্বেতাঙ্গও এই বিক্ষোভে যোগ দেন।   

ক্রমে এই বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নেয়। বিক্ষোভ ক্রমশ জোরদার হতেই সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল ব্রাউজার শহরে কার্ফু জারি করেন। সেই সঙ্গে আরও চল্লিশটি শহরে কার্ফু জারি হয়। এরই মধ্যে রবিবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের সামনে চলে এলে প্রেসিডেন্টকে এক ঘন্টার জন্য মাটির নীচে বাংকারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

১৯৬৮ সালে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের (Martin Luther King Jr) খুনের পর গোটা দেশে যে ভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল, এ বারের পরিস্থিতি ঠিক সেরকমই বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে হোয়াইট হাউসে যেখানে পুলিশি অত্যাচারের ছবি ধরা পড়ছে, সেখানে অন্য ছবিও দেখা যাচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে সংহতি প্রকাশও করছে পুলিশ। সোমবার এমনই বিরল দৃশ্য দেখল মিয়ামি।

ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে সোমবার মিয়ামিতে বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশেই প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটু গেড়ে বসে পুলিশ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ফ্লয়েডের মৃত্যু দেশের মানুষকে রাজনীতিগত এবং বর্ণগত দিক থেকে দু’ ভাগ করে দিয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ

খবর অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে সংহতি প্রকাশ করল পুলিশ। সোমবার এই বিরল দৃশ্য দেখল মিয়ামি। পুলিশের এক অফিসার কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরার জেরে তার মৃত্যুর পর থেকে গোটা আমেরিকা (USA) বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। রবিবার এই বিক্ষোভ এতটাই বিশাল আকার ধারণ করেছিল যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) কিছুক্ষণের জন্য হোয়াইট হাউসের বাংকারে যেতে হয়েছিল।

এর মধ্যে প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ (Miami Police)। সোমবার সেখানে ফ্লয়েডের হত্যার নিন্দায় বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশেই প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটু গেড়ে বসে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে আমেরিকা, ওয়াশিংটন-সহ ৪০ শহরে কার্ফু

পুলিশের এ হেন আচরণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পড়তেই নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। পুলিশের এই আচরণকে সঠিক দিকে সঠিক পদক্ষেপ বলে সাধারণ মানুষ অভিহিত করে।

মিনেপলিসের (Minneapolis) এক পুলিশ অফিসার দেড় ঘণ্টা ধরে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরে থাকে। এর জেরে পুলিশি হেফাজতে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক বিক্ষোভ। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি বহু শ্বেতাঙ্গও এই বিক্ষোভে যোগ দেন।   

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা সেই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অনেক জায়গায় হিংসাত্মক আকার নেয়। বিক্ষোভ ক্রমশ জোরদার হতেই সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল ব্রাউজার শহরে কার্ফু জারি করেন। এরই মধ্যে রবিবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের সামনে চলে এলে প্রেসিডেন্টকে এক ঘন্টার জন্য মাটির নীচে বাংকারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ফ্লয়েডের মৃত্যু দেশের মানুষকে রাজনীতিগত এবং বর্ণগত দিক থেকে দু’ ভাগ করে দিয়েছে।

Continue Reading

বিজ্ঞান

কোভিড ১৯ চিকিৎসায় রাশিয়ার প্রথম ওষুধ আগামী সপ্তাহ থেকেই

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকে কোভিড ১৯ (Covid 19) চিকিৎসায় রাশিয়া (Russia) তার প্রথম অনুমোদিত ওষুধটি প্রয়োগ করতে চলেছে। রয়টার্সকে এই খবর দিয়েছে রাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক মদতকারী সংস্থা। তাদের আশা, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর চাপ কমবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবনে দ্রুত ফিরে আসা সম্ভব হবে।

এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার আরডিআইএফ সভরেন ওয়েলথ ফান্ডের (RDIF Sovereign Wealth Fund) প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ (Kirill Dmitriev) রয়টার্সকে জানান, অনুমোদিত ওষুধটি ‘অ্যাভিফেভির’ (Avifavir) নামে নথিভুক্ত হয়েছে। রাশিয়ার হাসপাতালগুলি ১১ জুন থেকে কোভিড ১৯ রোগীদের উপর এই অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি (antiviral drug) প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি জানান, এই ওষুধ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি মাসে অন্তত ৬০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করার মতন ওষুধ উৎপাদন করবে।

আরও পড়ুন: মডার্নার করোনাভাইরাস টিকার প্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল

নতুন করোনাভাইরাসের (coronavirus) জেরে কোভিড ১৯ নামে যে রোগের সৃষ্টি হয়েছে, তা ঠেকানোর জন্য প্রতিষেধক টিকা (vaccine) তৈরির চেষ্টা বিভিন্ন দেশে জারি থাকলেও এখনও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

কোভিড ১৯-এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গিলিড-এর (Gilead) অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ (Remdesivir) নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কিছু ইতিবাচক ফল মিলেছে এবং কিছু দেশে এমার্জেন্সি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

‘অ্যাভিফেভির’-এর জেনেরিক নাম ‘ফ্যাভিপিরাভির’ (Favipiravir)। গত শতকের নব্বই দশকের শেষ দিকে জাপানের একটি কোম্পানি প্রথম এটি তৈরি করে। পরে ফুজিফিল্ম স্বাস্থ্যপরিষেবায় যুক্ত হওয়ার পরে ওই কোম্পানি কিনে নেয়।

আরডিআইএফ প্রধান জানান, রুশ বিজ্ঞানীরা ওই ওষুধের কার্যকারিতা আরও বাড়িয়েছে এবং আগেকার ওষুধে কী কী সংশোধন করা হয়েছে সেই তথ্য আগামী দু’ সপ্তাহের মধ্যে সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে রাজি আছে মস্কো।

জাপানও ওই একই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে। সেখানে এই ওষুধের নাম ‘অ্যাভিগান’ (Avigan)। এই প্রচেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের জোরালো সমর্থন পেয়েছে এবং তাঁর সরকার এ ব্যাপারে ১২৮ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কোনো অনুমতি সরকার দেয়নি।     

রুশ সরকারের অনুমোদিত ওষুধের তালিকায় গত শনিবারই ঢুকে গিয়েছে ‘অ্যাভিফেভির’। দিমিত্রিভ জানান, ৩৩০ জন কোভিড ১৯ রোগীর উপর এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভাইরাসের চিকিৎসা করে চার দিনের মধ্যে রোগীদের সুস্থ করে তুলেছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিশেষ দ্রুত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং