Connect with us

বিদেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে চাপে রয়েছেন ইমরান খান, স্পষ্ট হল সাংবাদিক বৈঠকেই

Imran Khan

ওয়েবডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর কেটে গিয়েছে প্রায় পাঁচ দিন। নীরবতা ভেঙে মুখে খুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু তিনি যে ঘরে-বাইরে যথেষ্ট চাপের মুখে, সেটাই স্পষ্ট হল এ দিন।

ইমরান পুলওয়ামা হামলার দায় সম্পূর্ণ ভাবে ঝেড়ে ফেলতে চাইলেন সাংবাদিকদের সামনে। আর সেটা করতে গিয়েই জড়িয়ে পড়লেন নিজের কথার প্যাঁচেই। তিনি বলেন, পাকিস্তান নিজেই সন্ত্রাস কবলিত। ফলে সন্ত্রাস মুছে ফেলতে তাঁর দেশ সব রকমের চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন মুহূর্তে ভারত কোনো রকমের তদন্ত না করেই পুলওয়ামা হামলার দায় কেন পাকিস্তানের ঘাড়ে চাপাচ্ছে?

ইমরানের বক্তব্যে যে চরম দ্বিচারিতা রয়েছে, সেটা তিনিও খুব ভালো ভাবেই জানেন। নেহাত পূর্বসূরিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইলেও এ কথা সর্বজনবিদিত পুলওয়ামা হামলার মূল চক্রি মাসুদ আজহার বর্তমানে পাকিস্তানেই চিকিৎসারত। হামলার দায় স্বীকার করে নেওয়া জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠীকে নিজের দেশে পুষে রেখেও তিনি নির্লজ্জের মতো দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন বলে মত প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

একই সঙ্গে ইমরান এ দিন বলেন, ‘‘ভারত যদি প্রমাণ দিতে পারে, তা হলে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি সব রকম ব্যবস্থা নেব।’’ পাশাপাশি তিনি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের সঙ্গে সব রকমের আলোচনায় প্রস্তুত আছেন বলেও জানান।

পরক্ষণেই তিনি বলেন, “ভারত যদি আক্রমণ করে তা হলে তার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্যও আমরা প্রস্তুত আছি”। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পুলওয়ামা হামলা পর অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক ভাবে সারা বিশ্বের কাছে কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। ভারত যেমন পাকিস্তানের রফতানি করা পণ্যের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করেছে, তেমনই বিশ্বের অন্যান্য শক্তিশালী দেশগুলিও পাকিস্তানের সঙ্গে সদ্ভাব ছিন্ন করার হুমকি দিয়ে রেখেছে। সব মিলিয়ে কোণঠাসা হতে থাকা পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের মিথ্যে আবেগকে মূলধন করতে প্রচ্ছন্ন ভাবে ভারতের উদ্দেশে সতর্কতাবার্তাও দিয়ে রাখলেন।

[ আরও পড়ুন: পুলওয়ামা হামলা: সাংবাদিক বৈঠকে পুরনো সুর ইমরান খানের গলায় ]

বিদেশ

‘ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা’, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প

গত ৪ জুলাই উদ্‌যাপিত হয় আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবস।

modi and trump

ওয়েবডেস্ক: আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন আমেরিকাবাসীকে। তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা”। গত ৪ জুলাই উদ্‌যাপিত হয় আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)।

গত শনিবার মোদী টুইটারে লিখেছিলেন, “আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকাবাসী এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন। বিশ্বের বৃহত্তম দুই গণতন্ত্র হিসাবে আমরা স্বাধীনতা এবং মানবতা উদ্‌যাপন করি”।

মোদীর সেই টুইট ট্যাগ করেই ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। তিনি মাইক্রো-ব্লগিং সাইটে লিখেছেন, “ধন্যবাদ বন্ধু। ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা”।

বিশ্বের দুই প্রাচীন এবং বৃহত্তম গণতন্ত্রের দুই রাষ্ট্রনেতার এই শুভেচ্ছা বিনিময়কে স্বাগত জানিয়েছেন দুই দেশের মানুষই। দুই রাষ্ট্রনেতার টুইট-বিনিময় যে কারণে নিমেষেই ভাইরাল হয়ে যায়।

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া

দুই রাষ্ট্রনেতার এই শুভেচ্ছা বিনিময়ে যথেষ্ট উৎসাহিত নেটিজেনরা। গুরদীপ সিং নামে এক ভারতীয় ট্রাম্পের টুইট-বার্তার সূত্র ধরেই লিখেছেন, ‘‘ভারতও আমেরিকাকে ভালবাসে।’’

ইন্ডিয়ান-আমেরিকান ফিনান্স কমিটির সহ-সভাপতি আল ম্যাসন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে একটি অবিশ্বাস্য বন্ধন দেখতে পাচ্ছে গোটা বিশ্ব”।

আফ্রিকান-আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী মেরি মিলিবেন নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে লিখেছেন, ‘‘আমেরিকা আপনাকে পেয়ে ধন্য। ভারত আমাদের মূল্যবান বন্ধু। ভারত ও আমেরিকা— বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতন্ত্র! আপনি ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ঈশ্বর আপনাকে কৃপা করছেন।”

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস

১৭৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে গ্রেট ব্রিটেন আমেরিকার ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করে। মাঝে নানান রাজনৈতিক চড়াই-উৎরাই অতিক্রম করে জুলাইয়ের ৪ তারিখ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি অনুমোদিত হয়। তার পর থেকেই এই দিনটি আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস হিসাবে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে।

Continue Reading

বিদেশ

আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে “ভারত মাতা কি জয়”, চিনা পণ্য বর্জনের দাবিতে হুঙ্কার

সেখানে “চিনা পণ্য বর্জন করুন”, “চিনা আগ্রাসন বন্ধ হোক” জাতীয় স্লোগানের পাশাপাশি “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগানও উঠতে শোনা যায়।

ওয়েবডেস্ক: চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমেরিকার টাইমস স্কোয়ারে (Times Square) বিক্ষোভে শামিল হলেন একটা বড়ো অংশের ভারতীয়-আমেরিকানরা (Indian-American)।

ভারতের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক চিনা পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, চিনা পণ্য বর্জন করে অর্থনৈতিক ভাবে বেজিংকে ‘শিক্ষা’ দিতে হবে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভাবেও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।

নিউ ইয়র্ক (New York) এবং নিউ জার্সিতে (New Jersey) বসবাসকারী ভারতীয় ও অভিবাসীদের সংগঠন ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান অ্য়াসোসিয়েশন (FIA) এই বিক্ষোভের দেখায়। সেখানে “চিনা পণ্য বর্জন করুন”, “চিনা আগ্রাসন বন্ধ হোক” জাতীয় স্লোগানের পাশাপাশি “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগানও উঠতে শোনা যায়।

করোনাভাইরাস মহামারির (Coronavirus pandemic) কারণে প্রতিবাদীরা মাস্ক পরেই বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের হাতে ধরা পোস্টারে নিহত ভারতীয় জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়।

চিনের বিরুদ্ধে অন্যান্যরাও!

ওই ভারতীয়-আমেরিকানদের ওই বিক্ষোভে শামিল হন তিব্বতি এবং তাইওয়ানিজরাও। তাঁরাও চিনা পণ্যে বর্জনের আওয়াজ তোলার পাশাপাশি “মানবতার বিরুদ্ধে চিনা পদক্ষেপে”র বিরুদ্ধে সরব হন। কার‌ও কারও হাতে “ভারতের পাশে তিব্বত” জাতীয় পোস্টারও দেখা যায়।

“বয়কট চায়না” শীর্ষক এই প্রতিবাদসভা আয়োজক হিসাবে ছিলেন সংগঠনের নেতা প্রেম ভাণ্ডারি এবং জগদীশ সেহওয়ানি।

কেন বিক্ষোভ?

সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভাণ্ডারি বলেন, “আজকের ভারত ১৯৬২ সালের ভারত থেকে আলাদা। আমরা চিনা আগ্রাসন এবং এর আন্তর্জাতিক বর্বরতা সহ্য করব না। আমরা চিনের অহঙ্কারকে যথাযথ জবাব দেব”।

তিনি বলেন, “গত ১৫ জুন ভারতের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনার আক্রমণে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হওয়ার ঘটনার পর থেকে আমরা চরম অস্বস্তির মধ্যে রয়েছি। যে কারণে আমরা চিনকে কঠোর বার্তা দিতে চাইছি। সারা বিশ্বের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে থাকা ভারতীয়রা নিজের মাতৃভূমির পাশেই রয়েছেন”।

“চিন ১৪ দেশের সঙ্গে সীমানা ভাগ করেছে। আর ১৮টা দেশের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এটাই তাদের মুর্খামিকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসছে। কিন্তু এটা বন্ধ করার সময় এসেছে। ভারতই তা করে দেখাবে”।

ভারতের অবস্থান

ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার রেশ ধরে একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং উদ্যোগ থেকে চিনা বিনিয়োগ ও পণ্য বর্জনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে জোরালো বার্তা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিএসএনএল, রেল, জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক সংস্থা এবং উদ্যোগ থেকে চিনা বিনিয়োগেও রাশ টানা হয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

“চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ হিসাবে দেখা, অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে তার বিরোধের বিষয়টি ভিত্তিহীন”, দাবি চিনের

ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার লাদাখ সফরে গিয়ে চিনের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তিনি পরোক্ষে চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ শক্তি হিসাবে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর চিনের তরফেও কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

এ দিন আচমকা লাদাখ সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-চিন সীমান্ত (India-China Border) উত্তেজনার মাঝে তাঁর এই সফর বেশ ইঙ্গিতবাহী। তার উপর সেখানে গিয়ে তিনি সেনাবাহিনীর উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেনার মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি ‘শত্রু’কেও নির্দিষ্ট বার্তা দেন।

কী বলল চিন?

প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরই বেজিংয়ের তরফে দূতাবাসের মুখপাত্র জি রঙ (Ji Rong) জোরালো প্রতিক্রিয়ায় জানান, “চিন শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তার ১৪টি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ১২টির সঙ্গে সীমানা নির্ধারণ করেছে। স্থল সীমান্তকে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার বন্ধনে পরিণত করেছে। চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ হিসাবে দেখা আদতে অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে তার বিরোধের বিষয়টি ভিত্তিহীন”।

এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফর সম্পর্কে  চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।

কী বলেছেন মোদী?

চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত (Bipin Rawat) এবং সেনাপ্রধান এমএম নরবনেকে (MM Narvane) সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ লেহ-তে পৌঁছোন প্রধানমন্ত্রী। ১১ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত নিমু চেকপোস্টে হাজির হন তাঁরা। সেখানে স্থল, জল ও বায়ুসেনার জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP) আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

চিনের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে মোদী বলেন, “এখন বিকাশবাদের যুগ। ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে। বিশ্বে শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে বিস্তারবাদীরা। কিন্তু প্রতিবারই তাদের পরাস্ত হতে চেয়েছে। কারণ, সারা বিশ্ব তাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়ছে”।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলটিকে “যুদ্ধক্ষেত্র” হিসাবে বর্ণনা করেন। যা গলওয়ান উপত্যকা (Galwan Valley) থেকে খুব একটা দূরে নয়।

Continue Reading
Advertisement
ক্রিকেট13 mins ago

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিসকে গ্রেফতার

modi and trump
বিদেশ46 mins ago

‘ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা’, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প

শিক্ষা ও কেরিয়ার2 hours ago

সিবিএসই ২০২০: ফলাফল বেরোলে কী ভাবে মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে?

দেশ2 hours ago

উত্তরপ্রদেশে ৮ পুলিশ হত্যা: ‘ভেতরের’ ভূমিকা নিয়ে পুলিশের তদন্ত, স্টেশন অফিসার সাসপেন্ড

দেশ2 hours ago

এই প্রথম ভারতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি

দেশ4 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

Nitish Kumar
দেশ4 hours ago

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার করোনা নেগেটিভ

রবিবারের পড়া5 hours ago

রবিবারের পড়া: ভারতীয় ক্রিকেট-বিপ্লবের দুই কারিগর

নজরে