ফলাফলের ইঙ্গিত আসতে রাতেই আনন্দে মাতোয়ারা পিটিআই সমর্থকরা। ছবি: রয়টার্স।

ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের জাতীয় আইনসভার নির্বাচনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে অনেকটা পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। পিটিআই এগিয়ে যেতেই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে দেশের বাকি রাজনৈতিক দলগুলি। যদিও সেই অভিযোগ খণ্ডন করেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন।

বুধবার নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই গণনা শুরু হয় এবং সঙ্গে সঙ্গেই এগিয়ে যেতে শুরু করে ইমরানের দল পিটিআই। কিন্তু রাত যত গড়িয়েছে তত শ্লথ হয়ে গিয়েছে গণনার কাজ। এতেই কারচুপির গন্ধ পেয়েছে পিটিআই বিরোধী সবক’টি রাজনৈতিক দল।

আরও পড়ুন ডিসেম্বরে রথযাত্রা নিয়ে এ বার আরও বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল (এন) এই ফলকে অস্বীকার করেছে। ‘চূড়ান্ত কারচুপি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তারা। রাতের এই কারচুপি-নাটক এমন জায়গায় পৌঁছোয় যে ভোর চারটের সময়ে সাংবাদিক সম্মেলন করতে হয় কমিশনকে।

গণনায় কিছু বিলম্ব হলেও পাকিস্তানের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার সর্দার মহম্মদ রাজা বলেন, “নির্বাচন ১০০ শতাংশ স্বচ্ছ হয়েছে।” প্রযুক্তিগত কারণে গণনায় দেরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্য দিকে নির্বাচনের ফলকে মেনে নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন পিএমএল (এন)-এর সভাপতিন শেহবাজ শরিফ। সেনাবাহিনীর সরাসরি হাত রয়েছে, এমনটা না বললেও আকারে ইঙ্গিতে সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “পিপিপি-সহ আরও পাঁচটা দল কারচুপির অভিযোগ তুলেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই ভবিষ্যতের পদক্ষেপ ঠিক করব। পাকিস্তানের আজ বড়ো ক্ষতি হয়ে গেল।”

যদিও পিটিআইয়ের ইমরান খান বলেছেন সরকারে এলে কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা পর্যন্ত যা ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে পিটিআই ১১৭, পিএমএল(এন) ৭০, পিপিপি ৪২ আসনে এগিয়ে। ইঙ্গিতে স্পষ্ট হচ্ছে পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা কেউ পাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন ঝুলে থাকবে অন্যান্য দল এবং জয়ী নির্দলদের ওপরে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here