আইএসআই নয়, কুলভূষণকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল পাক জঙ্গিগোষ্ঠী!

0
Kulbhushan Jadhav
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের জেলে বন্দি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিক কুলভূষণ যাদব মামলার সম্ভাব্য রায় ঘোষণা হতে চলেছে বুধবার। এ দিন হেগ-এর আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দফতরে মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা। এরই আগে কুলভূষণকে অপহরণের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ্যে চলে এল ভারতীয় সূত্র থেকে।

ভারত সরকারের একটি সূত্র জানায়, কুলভূশনকে ইরানের ছাবাহারে অপহরণ করা হয় এবং সেখান থেকেই একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী তাকে পাকিস্তানে নিয়ে চলে যায়। পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এই কাজের জন্য তাদের প্রক্সি গ্রুপ জইশ আল আদলকে ব্যবহার করে। আইএসআই কুলভূষণকে অপহরণের যে ষড়যন্ত্র করেছিল, জইশ-আল-আদলের সাহায্যেই বাস্তবায়িত করে।

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তুলে কুলভূষণকে বন্দি করে রেখেছে পাক সরকার। তবে তাদের ওই দাবি যে সর্বৈব মিথ্যা, তা প্রমাণ করার জন্য যাবতীয় উপকরণ সংগ্রহ করে ফেলেছে ভারতীয় সংস্থা। জানা গিয়েছে, ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানেপ সীমান্ত সমস্যাও দীর্ঘদিনের। ইরানের বিরুদ্ধেও পাকিস্তান জইশ-আল-আদলকে ব্যবহার করেছে। ইরানের প্রশাসনিক প্রধানরা ইরান-পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানের সমর্থন সম্পর্কে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জইশ আল আদলের প্রধান জুনদুল্লাহকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

প্রসঙ্গত, পাক সেনা দাবি করে, ২০১৬ সালের ৩ মার্চ বালোচিস্তান থেকে গ্রেফতার করা হয় কুলভূষণকে। ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল কুলভূষণকে মৃত্যুদণ্ড দেয় পাকিস্তানের সামরিক আদালত। সে সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ নিয়ে আসা হয়। পাকিস্তানের আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে আবেদন জানায় ভারত। শেষবার গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৪ দিন কুলভূষণ মামলার শুনানি করে আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার আদালত।

সে সময়ই কুলভূষণের বিরুদ্ধে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগ প্রমাণ করতে পাকিস্তান যে সমস্ত যুক্তি দিয়েছিল তার অধিকাংশই খারিজ করেছে আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার আদালত।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন