ইরানের সন্ত্রাসবাদী হামলায় হত ১২, প্রাণ গেল ৬ জঙ্গির, দায় স্বীকার আইএসের

0
252

তেহরান: এ বার জঙ্গিদের লক্ষ্য ইরান। রাজধানী তেহরানে দু’টি পৃথক সন্ত্রাসবাদী হামলায় এখনও পর্যন্ত ১২ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন ৪২ জন। এ ছাড়া হামলাকারীদেরও ৬ জন নিহত হয়েছে। জঙ্গিরা প্রথমে হামলা চালায় ইরানের পার্লামেন্টে এবং আধ ঘণ্টা পরে আয়াতোল্লা খোমেইনির সমাধিতে। নিহত ১২ জনের মধ্যে ১১ জন মারা গিয়েছেন পার্লামেন্ট আক্রমণের ঘটনায় এবং ১ জন খোমেইনির সমাধিতে। ঘটনার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এই জঙ্গি আক্রমণের জন্য মূলত সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর।

বুধবার সকালে ইরানের পার্লামেন্টে প্রথম হামলা চালায় চার জন বন্দুকবাজ। হামলার সময়ে পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছিল। এই ঘটনায় নিহত হন এক নিরাপত্তারক্ষী এবং আরও এক ব্যক্তি। এর পর পার্লামেন্ট ভবনের চতুর্থ তলে নিজেকে উড়িয়ে দেয় এক আত্মঘাতী জঙ্গি। এই হামলার সময়ে অধিবেশন চললেও, তা বন্ধ রাখা হয়নি। হামলার সময়ে ঘটনাস্থলে ছিলেন এক সাংবাদিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই সাংবাদিক বলেন, “দু’জন জঙ্গিকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে দেখেছি আমি। ঘটনার সময়ে সবাই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল।”

পার্লামেন্টে হামলার আধঘণ্টা পরে হামলা চালানো হয় আয়াতোল্লা খোমেইনির সমাধিতে। সেখানে নিজেকে উড়িয়ে দেয় এক আত্মঘাতী মহিলা জঙ্গি। আরও এক জঙ্গিকে অবশ্য গ্রেফতার করা হয় সমাধিস্থল থেকে। উল্লেখ্য, আয়াতোল্লার নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লব হয় ইরানে।

এই হামলার পেছনে আইএসের হাত রয়েছে এমনই বলে এই জঙ্গিগোষ্ঠীর সংবাদসংস্থা এএএমএকিউ। সংবাদসংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আইএস যোদ্ধারা তেহরানের পার্লামেন্ট এবং খোমেইনির সমাধিতে হামলা চালিয়েছে।”

এই ঘটনার পর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে তেহরানকে। প্রসঙ্গত শিয়া অধ্যুষিত ইরান মূলত সুন্নি নেতৃত্বাধীন  আইএস জঙ্গি সংগঠনের লক্ষ্যে থাকলেও, এর আগে বড়ো ধরনের হামলার ঘটনা খুব একটা ঘটেনি এ দেশে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here