ওয়েবডেস্ক: গত শনিবার সিরিয়ায় মার্কিন সেনা হামলায় নিহত হয়েছে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের প্রধান আবু বকর আল বাগদাদি। কী ভাবে হয়েছিল সেই অভিযান, তারই একটি ভিডিও প্রকাশ করল পেন্টাগন। তবে ভিডিও প্রকাশের পরেও বিতর্কি কিন্তু পিছু ছাড়ছে না।

হোয়াইট হাউসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন সেনার অতর্কিত হামলার মুখে সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে দৌড়ে পালায় বাগদাদি। সঙ্গে তিন শিশুসন্তানকেও টেনে নিয়ে যায় সেখানে। তাদের মার্কিন সেনাবাহিনীর কুকুর ধাওয়া করছিল। সে সময় ভেতর থেকে অনবরত চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তারা এমন এক জায়গায় পৌঁছায়, যেখান থেকে পালানোর কোনো উপায় ছিল না। ওই সময়ই গায়ে থাকা সুইসাইড ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আত্মঘাতী হয় আইএস নেতা।

Loading videos...

অন্য দিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বিস্ফোরণের ফলে সুড়ঙ্গটি ধসে পড়ে, ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বাগদাদির দেহ। তার তিন সন্তানও ওই সময় প্রাণ হারায়। পরে, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আইএসের শীর্ষ নেতার পরিচয় নিয়ে নিশ্চিত হন মার্কিন সেনারা।

পেন্টাগনের প্রকাশিত ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে, মার্কিন সেনা কী ভাবে ঘিরে ফেলেছিল বাদদাদির ডেরা। কী ভাবেই বা হামলা চালানো হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের বর্ণনা মতো অতটা নাটকীয়তা ধরা পড়েনি ওই ভিডিওয়।

ওই ভিডিও প্রকাশ করেন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার কেনেথ ম্যাকেঞ্জি। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, অভিযানের সময় বাগদাদি একটি সুড়ঙ্গে ঢুকে পড়ে। তবে ট্রাম্পের কথা মতো তিন ছেলে নয়, দুই ছেলেকে নিয়ে আত্মঘাতী বোমা ফাটায় বাগদাদি।

কিন্তু পুরোটা প্রকাশ না করায় ভিডিওর ক্লিপিং উঠছে। কারণ ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, উপর থেকে বোমা পড়ার পরই ধ্বংসস্তূপের ছবি। মাঝের অংশ কোথায়- প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.