Connect with us

বিদেশ

৯৯ জনকে নিয়ে জনবহুল এলাকায় ভেঙে পড়ল পাক বিমান

ওয়েবডেস্ক: ৯১ জন যাত্রী এবং আট জন কর্মীকে নিয়ে শুক্রবার ভেঙে পড়ল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (PIA) একটি বিমান। এ-৩২০ বিমানটি এ দিন করাচি বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে।

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, শুক্রবার দুপুর ১টায় লাহৌর থেকে করাচির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বিমানটি। এ দিনই দুপুর সওয়া ২টোয় করাচি পৌঁছানোর কথা ছিল।

তবে তার মিনিট আটেক আগেই কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই সেটি ভেঙেও পড়ে। বিমানবন্দরের প্রায় কাছে মালির মডেল কলোনির জিনা গার্ডেনের কাছে বিমানটি ভেঙে পড়ে।

তবে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানটিতে যাত্রী এবং বিমানকর্মী নিয়ে ছিলেন মোটি ৯৯ জন। এ ছাড়া লোকালয়ের মধ্যে বিমানটি ভেঙে পড়ায় এখনও পর্যন্ত মৃত এবং আহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি।

এ ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেটিতে দেখা গিয়েছে, ওই জনবহুল এলাকার মধ্যেই বিমানটি দাউদাউ করে জ্বলছে। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুন:বাংলার জন্য এক হাজার কোটি টাকার সাহায্য ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সূত্রের খবরে আরও জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি (পিকে-৮৩০৩) ১০-১২ বছর আগে চিন থেকে কিনেছিল পিআইএ। করোনাভাইরাস মহামারি জেরে লকডাউনের কারণে বিমান চলাচল বন্ধ রেখেছিল পাকিস্তান। কয়েকদিন আগেই তা ফের চালু হয়েছে।

আর তারপরেই আজকের মর্মান্তিক ঘটনা। পাক সংবাদ মাধ্যমের ভিডিও ফুটেছে দেখা গিয়েছে, বিমানটির সঙ্গেই এলাকার বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িও দাউদাউ করে জ্বলছে। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে অ্যাম্বুলেন্স।

এক নজরে বিমান দুর্ঘটনা

১. বিমানবন্দর থেকে মাত্র এক মিনিট দূরত্বে দুর্ঘটনা।

২. শেষ পাওয়া খবরে, ৩৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।

৩. তিন জন জীবিত রয়েছেন।

৪. আহত অসংখ্য।

৫. চারটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

৬. উদ্ধারে নামে সেনা।

৭. দুর্ঘটনার কারণ যান্ত্রিক ত্রুটি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিদেশ

হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ

খবর অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে জর্জ ফ্লয়েডের (George Floyd) মৃত্যুতে সংহতি প্রকাশ করল পুলিশ। সোমবার এই বিরল দৃশ্য দেখল মিয়ামি। পুলিশের এক অফিসার কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরার জেরে তার মৃত্যুর পর থেকে গোটা আমেরিকা (USA) বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। রবিবার এই বিক্ষোভ এতটাই বিশাল আকার ধারণ করেছিল যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) কিছুক্ষণের জন্য হোয়াইট হাউসের বাংকারে যেতে হয়েছিল।

এর মধ্যে প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করল মিয়ামি পুলিশ (Miami Police)। সোমবার সেখানে ফ্লয়েডের হত্যার নিন্দায় বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশেই প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটু গেড়ে বসে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে আমেরিকা, ওয়াশিংটন-সহ ৪০ শহরে কার্ফু

পুলিশের এ হেন আচরণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পড়তেই নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। পুলিশের এই আচরণকে সঠিক দিকে সঠিক পদক্ষেপ বলে সাধারণ মানুষ অভিহিত করে।

মিনেপলিসের (Minneapolis) এক পুলিশ অফিসার দেড় ঘণ্টা ধরে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চেপে ধরে থাকে। এর জেরে পুলিশি হেফাজতে ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় ব্যাপক বিক্ষোভ। কৃষ্ণাঙ্গদের পাশাপাশি বহু শ্বেতাঙ্গও এই বিক্ষোভে যোগ দেন।   

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা সেই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অনেক জায়গায় হিংসাত্মক আকার নেয়। বিক্ষোভ ক্রমশ জোরদার হতেই সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল ব্রাউজার শহরে কার্ফু জারি করেন। এরই মধ্যে রবিবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের সামনে চলে এলে প্রেসিডেন্টকে এক ঘন্টার জন্য মাটির নীচে বাংকারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ফ্লয়েডের মৃত্যু দেশের মানুষকে রাজনীতিগত এবং বর্ণগত দিক থেকে দু’ ভাগ করে দিয়েছে।

Continue Reading

বিজ্ঞান

কোভিড ১৯ চিকিৎসায় রাশিয়ার প্রথম ওষুধ আগামী সপ্তাহ থেকেই

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকে কোভিড ১৯ (Covid 19) চিকিৎসায় রাশিয়া (Russia) তার প্রথম অনুমোদিত ওষুধটি প্রয়োগ করতে চলেছে। রয়টার্সকে এই খবর দিয়েছে রাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক মদতকারী সংস্থা। তাদের আশা, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর চাপ কমবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবনে দ্রুত ফিরে আসা সম্ভব হবে।

এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার আরডিআইএফ সভরেন ওয়েলথ ফান্ডের (RDIF Sovereign Wealth Fund) প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ (Kirill Dmitriev) রয়টার্সকে জানান, অনুমোদিত ওষুধটি ‘অ্যাভিফেভির’ (Avifavir) নামে নথিভুক্ত হয়েছে। রাশিয়ার হাসপাতালগুলি ১১ জুন থেকে কোভিড ১৯ রোগীদের উপর এই অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি (antiviral drug) প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি জানান, এই ওষুধ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি মাসে অন্তত ৬০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করার মতন ওষুধ উৎপাদন করবে।

আরও পড়ুন: মডার্নার করোনাভাইরাস টিকার প্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল

নতুন করোনাভাইরাসের (coronavirus) জেরে কোভিড ১৯ নামে যে রোগের সৃষ্টি হয়েছে, তা ঠেকানোর জন্য প্রতিষেধক টিকা (vaccine) তৈরির চেষ্টা বিভিন্ন দেশে জারি থাকলেও এখনও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

কোভিড ১৯-এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গিলিড-এর (Gilead) অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ (Remdesivir) নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কিছু ইতিবাচক ফল মিলেছে এবং কিছু দেশে এমার্জেন্সি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

‘অ্যাভিফেভির’-এর জেনেরিক নাম ‘ফ্যাভিপিরাভির’ (Favipiravir)। গত শতকের নব্বই দশকের শেষ দিকে জাপানের একটি কোম্পানি প্রথম এটি তৈরি করে। পরে ফুজিফিল্ম স্বাস্থ্যপরিষেবায় যুক্ত হওয়ার পরে ওই কোম্পানি কিনে নেয়।

আরডিআইএফ প্রধান জানান, রুশ বিজ্ঞানীরা ওই ওষুধের কার্যকারিতা আরও বাড়িয়েছে এবং আগেকার ওষুধে কী কী সংশোধন করা হয়েছে সেই তথ্য আগামী দু’ সপ্তাহের মধ্যে সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে রাজি আছে মস্কো।

জাপানও ওই একই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে। সেখানে এই ওষুধের নাম ‘অ্যাভিগান’ (Avigan)। এই প্রচেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের জোরালো সমর্থন পেয়েছে এবং তাঁর সরকার এ ব্যাপারে ১২৮ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কোনো অনুমতি সরকার দেয়নি।     

রুশ সরকারের অনুমোদিত ওষুধের তালিকায় গত শনিবারই ঢুকে গিয়েছে ‘অ্যাভিফেভির’। দিমিত্রিভ জানান, ৩৩০ জন কোভিড ১৯ রোগীর উপর এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভাইরাসের চিকিৎসা করে চার দিনের মধ্যে রোগীদের সুস্থ করে তুলেছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিশেষ দ্রুত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে আমেরিকা, ওয়াশিংটন-সহ ৪০ শহরে কার্ফু

খবর অনলাইনডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম বার এমন ঘটনা ঘটল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA)। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সামলাতে দেশের ৮টি প্রদেশে রাস্তায় নামানো হল ন্যাশনাল গার্ডকে (National Guard)। এ দিকে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কুরুচিকর হুমকি দিলেও, তাতে আমল দিচ্ছেন না কেউ। দেশ জুড়ে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে।

ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, লস আঞ্জেলেস, শিকাগো, মিয়ামির মতো সব বড়ো শহরেই জারি কার্ফু। তবে তার আগেই অবশ্য ছোট-বড়ো সব দোকান-বাড়িতে দিনভর চলে অবাধ ভাঙচুর, লুটপাট এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। অভিযোগ, বিক্ষোভ ঠেকাতে দেদার লাঠিচার্জের পাশাপাশি লঙ্কা-গুঁড়ো, রাবার-প্লাস্টিক বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটিয়েছে পুলিশ। 

গত সোমবার পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন মারা যান ৪৪ বছর বয়সি জর্জ ফ্লয়েড (George Floyd)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু চেপে ধরে রেখেছেন। ফ্লয়েডকে শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখা যায়। তিনি বারবার নিজের শ্বাসকষ্টের কথা জানিয়ে আকুতি করলেও শোনেননি ওই পুলিশকর্মী।

নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে রাখেন। এ সময় তাঁর পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন আরও চার পুলিশকর্মী। এর পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ফ্লয়েড। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ফ্লয়েডকে বাঁচানো যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত পুলিশকর্মীদের চিহ্নিত করা হয়েছে ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পুরো মিনেপোলিস। বিক্ষোভকারীরা ফ্লয়েডের হত্যাকারী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যথাযোগ্য আইনি ব্যবস্থা ও শাস্তির দাবিতে সরব হন। বিক্ষোভকারীরা শহরে একাধিক পুলিশ স্টেশন ভাঙচুর করেছে।

মিনেপলিস থেকে ধীরে ধীরে গোটা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। গত শুক্রবার গোটা রাত হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায় যে ট্রাম্পকে মাটির ভেতরে থাকা বাংকারে নিয়ে যেতে হয়।

দেশের ২২টি শহর থেকে এখনও পর্যন্ত ২০০০ জনকে গ্রেফতার করা হলেও বিক্ষোভকারীরা অনড়। অশান্তি-মারামারির নিন্দা করলেও কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষায় সরব হয়েছেন ভোটে ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনও।

‘দম আটকে আসছে আমার’(I can’t breathe man)- ফ্লয়েডের ওই শেষ কথাই পোস্টার-প্ল্যাকার্ড হয়ে উঠে এসেছিল বেশ কিছু শহরের রাস্তায়। এখন দেখা যাচ্ছে একই কথা স্প্রে-পেন্টিং করে লেখা দোকানে-আবাসনে-দফতরে।

শিকাগো, নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তিতে জড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীদের একাংশ। ওয়াশিংটনের হোটেলে জ্বলেছে আগুন। পুড়েছে একাধিক গাড়ি, পুলিশেরও চারটি। শুধু ফিলাডেলফিয়ায় সংঘর্ষে আহত ১৩ পুলিশকর্মী।

নিউ ইয়র্ক থেকে ভাইরাল ভিডিয়োতে আবার দেখা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ভিড় লক্ষ করেই ধেয়ে আসছে পুলিশের গাড়ি। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছেন। 

এই বিক্ষোভে সমান ভাবে অংশ নিচ্ছে শ্বেতাঙ্গরাও। ব্রুকলিনে এক শ্বেতাঙ্গ বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘বার বার এমন ভুল হতে পারে না। কালো মানুষদের নিকেশ করার একটা চক্রান্ত চলছে।’’

সুবিচারের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে হলিউডও। লেডি গাগা লিখেছেন, ‘‘খুন মানে খুনই। পুলিশেরও সাধারণ খুনির মতোই শাস্তি হওয়া উচিত।’’

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের বিরুদ্ধে আফ্রিকান-আমেরিকানদের নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ বহু পুরোনো। এই নিয়ে প্রচুর বিক্ষোভ-প্রতিবাদও হয়েছে। কিন্তু এ বারের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, অতীতে সব ঘটনাকেই যেন পেছনে ফেলে দিয়েছে।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং