mahinda rajapakse
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসার পরে রাজাপক্ষে। ছবি টুইটার

কলম্বো: নির্ধারিত সময়ের দু’বছর আগেই দেশের পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক সঙ্কট আরও বাড়িয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনা। শুক্রবার মধ্যরাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ৫ জানুয়ারি দেশ জুড়ে ফের নির্বাচনের ঘোষণাও করে দিয়েছেন তিনি।

গত ২৬ অক্টোবর, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংঘেকে বরখাস্ত করে নিজের পছন্দের মাহিন্দা রাজাপক্ষেকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর পর থেকেই শ্রীলঙ্কায় শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক সঙ্কট। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন সঙ্গে থাকায় প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে নারাজ ছিলেন বিক্রমসিংঘে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট বাসস্থান থেকেই তাঁকে বের করতে পারেননি প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা। ২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে বিক্রমসিংঘের সঙ্গে আছেন ১২০ জন সদস্য। অন্যদিকে দু’সপ্তাহ সময় পেয়েও নিজের পাশে মাত্র ১০৪ জন সদস্যকে পেয়েছেন রাজাপক্ষে।

আরও পড়ুন ঋতুমতী মহিলাদের সবরীমালায় পাঠানোর জন্য অভিনব পন্থা নিতে পারে কেরল পুলিশ

আর সাংসদের সমর্থন না পেয়ে রাজাপক্ষে জানিয়ে দেন, তাঁর সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এর পরই পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন করে নির্বাচনের ঘোষণা করেন সিরিসেনা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, এ ভাবে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে বড়ো ঝুঁকি নিলেন সিরিসেনা। নির্বাচনে তাঁর পছন্দের দল না জিততে পারলে, মুখ পুড়বে তাঁর।

যদিও বিক্রমসিংঘের দাবি, পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বেআইনি, এই নির্দেশ কোনও ভাবেই কার্যকর করা যাবে না। প্রয়োজনে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই নির্দেশকে বেআইনি ঘোষণা করবেন। শ্রীলঙ্কার বামপন্থী দলগুলিও এই পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলে জানিয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here