Joko Widodo

ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ায় পাঁচ দিনের সফর নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। তিনি বলেন, এই সফরটি ভারতের তিনটি দেশের সাথে সম্পর্ককে আরও  বেশি উদ্দীপ্ত করবে। সরকার যে অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি নিয়ে চলেছে, তাকে সঠিক দিশায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর, ইন্দেনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া-তিনটি দেশই অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস বা আসিয়ানের অন্তর্ভুক্ত

এই নিয়ে মোদী তৃতীয়বার সফর করলেন সিঙ্গাপুরে। অন্য দিকে এটাই তাঁর প্রথম ইন্দোনেশিয়া সফর। এ মুহূর্তে ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র (বৃহত্তম রাষ্ট্র ভারত)।ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে মোদী সাক্ষাৎ করেন সে দেশের রাষ্ট্রনেতা জোকো উইদোদোর সঙ্গে। জোকোর সঙ্গে মোদীর মিল, দু’জনেই ২০১৪ সালে নির্বাচনে জিতে শাসন ক্ষমতা হাতে নিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়া এ মুহূর্তে আসিয়ান অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে ভারতের সব থেকে বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০১৭ সালে দু’দেশের মধ্যে প্রায় ১৭ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক আদান-প্রদান হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের সামরিক পণ্যের বৃহত্তম ক্রেতা ইন্দোনেশিয়া।

দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের অবস্থান ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া দুই দেশের কাছেই উদ্বেগের। ইন্দোনেশিয়ার কিছু দ্বীপের উপর চিনের দাবি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ওই সমস্ত এলাকায় নিরপত্তার ব্যাপার ভারতের কাছেও উদ্বেগের বিষয়। কারণ ওই সমস্ত এলাকার সামুদ্রিক পথে চিনের বাড়তি নজরদারির উল্লেখ পাওয়া যায়।

অন্য দিকে ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া উভয় দেশই বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের সন্ধানে রয়েছে। ভারতের মেক-ইন ইন্ডিয়ার সংস্করণও রয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। সে দেশের এক লক্ষ নাগরিক ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং সেখানে সাড়ে সাত হাজারের উপর ভারতীয় বাস করেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here