thailand cave

ওয়েবডেস্ক: থাইল্যান্ডে গুহার ভেতরে আটকে পড়া কিশোরদের উদ্ধার করতে গিয়ে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক দুঁদে উদ্ধারকর্মীর। তাঁর মৃত্যুতে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। সবার প্রশ্ন, এক জন দুঁদে অফিসারের এ ভাবে মৃত্যু হলে সাঁতার না-জানা ছেলেপুলেগুলোর কী হবে!

উদ্ধারকারী দলের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার আটকে পড়া কিশোরদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন ওই উদ্ধারকর্মী সামান কুনোন্ট। তাঁর এক সহকর্মীর কথায়, “কিশোরদের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথেই জ্ঞান হারান তিনি।” তবে এর ফলে কোনো ভাবেই উদ্ধারকাজ থামানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে উদ্ধারকারী দল। তাদের কথায়, “আমরা আমাদের এক সহকর্মীকে হারিয়েছি, কিন্তু আমরা কিশোরদের উদ্ধার করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

একজন উদ্ধারকর্মী এ ভাবে মারা গেলে, সাঁতার না-জানা কিশোরদের কী ভাবে উদ্ধার করা হবে, এই প্রশ্ন করা হলে এক উদ্ধারকর্মী বলেন, “কিশোরদের জন্য আমরা অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বন করব।” তাদের উদ্ধার করা যে কোনো সহজ কাজ নয় সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এই দলে থাকা ইজরায়েলের এক কর্মী। তিনি বলেন, “একজন অভিজ্ঞ মানুষ মারা গেলেন। আমাদের আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।”

প্রায় দু’সপ্তাহ হতে চলল থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম এই গুহার মধ্যে ফেঁসে গিয়েছে এই খুদে ফুটবল দল। ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সি কিশোরঁরা ছাড়াও এখানে রয়েছেন তাঁদের ২৫ বছরের সহকারী কোচও। এই ঘটনার পর থেকেই গোটা দেশ তো বটেই, উদ্বেগে রয়েছে গোটা বিশ্ব। উদ্ধারকাজে থাইল্যান্ডের সংস্থাকে সাহায্য করছে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থাও।

একটাই আশার আলো, শুক্রবার সকাল থেকে বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। উদ্ধারকর্মীদের আশা, বৃষ্টি যদি বন্ধ হয়ে যায়, তা হলে গুহা থেকে জল বের করে কিশোরদের বের করে আনা সম্ভব হবে। কিন্তু বৃষ্টি যদি বন্ধ না হয়, তা হলে কী হবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here