rohingya problem in bangladesh

জেনিভা: একটা জাতকে কী ভাবে মুছে দেওয়া যায়, সেই উদাহরণই তৈরি করছে মায়ানমার। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর অত্যাচারের পরিপ্রেক্ষিতে এ ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার সংগঠনের প্রধান।

সোমবার মানবাধিকার সংগঠনের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়ানমারের পাশাপাশি বুরুন্ডি, ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন, লিবিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে চলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করেন সংগঠনের প্রধান তথা জর্ডনের রাজকুমার জেইদ রা’দ আল-হুসেন। অভিবাসী ইস্যুতে ট্রাম্পকে তুলোধোনা করেন আল-হুসেন। এর পরেই আসেন মায়ানমারের প্রসঙ্গে। সে দেশে রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধিদের ঢুকতেই দেওয়া হচ্ছে না, এই কথা উল্লেখ করে আল-হুসেন বলেন, “মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পৈশাচিক অত্যাচার চালাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী।” আগে কখনও এ রকম অত্যাচার হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত তিন সপ্তাহে প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানান তিনি। উপগ্রহচিত্রের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নিরাপত্তাবাহিনী এবং স্থানীয় জঙ্গিদল রোহিঙ্গাদের বাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।”

এর পর তিনি বলেন, “মায়ানমার সত্যিটা চাপা দিচ্ছে। তারা বলছে রোহিঙ্গারা নাকি নিজেদের ঘরবাড়ি নিজেরাই জ্বালিয়ে দিচ্ছে।” এর পরে তাঁর অভিযোগ, “মায়ানমারে মানবাধিকার কর্মীরা ঢুকতে পারছে না, তাই ওই দেশে ঠিক কী ঘটছে সেটা এখনও আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।” বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ল্যান্ডমাইন পোঁতার পরিকল্পনা করছে মায়ানমার, এই খবরেও ‘ব্যথিত’ আল-হুসেন।

মানবাধিকার সংগঠনের প্রধানের পদে বসার তিন বছরের মধ্যে বিশ্ব ক্রমশ ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়েছে’ বলে দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন