murder

ওয়েবডেস্ক: ছবির আগে প্রেক্ষাগৃহে দেখানো ধূমপান-বিরোধী বিজ্ঞাপনের ভাষ্যটার কথা মনে পড়ছে? সেই যেখানে ঘোষক বলে যান নেপথ্য থেকে- এই শহরের হলটা কী! যে দিকেই তাকাই, খালি নজরে আসে ছাই নয় তো ধোঁয়া?

সরকারের এই বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ দেশের মানুষকে কতটা প্রভাবিত করতে পেরেছে, সে নিয়ে সংশয়ের অবকাশ রয়েছে। কিন্তু সুদূর রাশিয়ার এক ব্যক্তির মনে যে ঠিক বিজ্ঞাপনের ভাষ্যের ঠিক এই কথাগুলোই উদয় হয়েছিল, তা নিয়ে বোধহয় সন্দেহ করা যাবে না। না হলে কেউ ধূমপানের অপরাধে রুমমেটের যৌনাঙ্গ কেটে নেয়?

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এমন চমকে ওঠার মতো ঘটনা ঘটেছে মস্কোয়। সেখানে এডুয়ার্ড আসিলভ নামের এক রুমমেটের সঙ্গে একটি ফ্ল্যাট ভাগ করে থাকতেন এই ব্যক্তি। ধূমপানে ছিল তাঁর প্রবল আপত্তি। এই নিয়ে বার বার কথা কাটাকাটি হয় তাঁর আর আসিলভের মধ্যে। কিন্তু আসিলভ তাঁর কথায় পাত্তা না দিয়েই মগ্ন থাকতেন সুখটানে।

মস্কো পুলিশের বক্তব্য, দিনের পর দিন এরকম চলতে থাকায় অবশেষে এই ব্যক্তিটির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। আর থাকতে না পেরে হেঁশেলের একটি ধারালো ছুরি দিয়ে তিনি আসিলভের পুরুষাঙ্গ কেটে নেন। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলেন দেহটাও। তার পর বেরিয়ে যান ফ্ল্যাট থেকে।

যদিও আসিলভের হত্যার ঘটনা প্রতিবেশীদের জানতে দেরি হয়নি। ফ্ল্যাটের দরজার তলা দিয়ে গড়িয়ে আসা রক্তের স্রোত ঘটনার খেই ধরিয়ে দেয়। প্রতিবেশীরা তখন দরজা খুলে ফ্ল্যাটে ঢুকে আসিলভের দেহর খণ্ডাংশ দেখতে পান। তা ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। আর পুরুষাঙ্গটি যত্ন করে রাখা ছিল বিছানায়, একটি বালিশের উপরে। এর পর পুলিশে খবর দেন প্রতিবেশীরা।

পুলিশ এসে আসিলভের দেহর খণ্ডাংশ উদ্ধার করে। খোঁজখবর করে হত্যাকারীকেও গ্রেফতার করতে সমর্থ হন তাঁরা। মস্কো পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি তাঁর অপরাধ কবুল করেছেন। তবে শুধু ধূমপান এ ঘটনার জন্য দায়ী, এমনটা বিশ্বাস করতে নারাজ পুলিশ। তাঁদের বিশ্বাস, এই নৃশংস হত্যার পিছনে ত্রিকোণ ভালোবাসার যোগ থাকতে পারে। আপাতত ঘটনাটির তদন্ত করছেন তাঁরা।

1 মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here