dan brandon

ওয়েবডেস্ক: গলায় জড়িয়ে খেলা করার সময় পোষ্য ময়াল সাপটিই কি মেরে ফেলেছিল মালিককে?

হ্যাম্পশায়ারের দুনিয়াখ্যাত সর্পপালক ড্যান ব্র্যান্ডনের আকস্মিক মৃত্যুতে এই প্রশ্নটাই উঠে এসেছিল সবার মনে। এমনকি, ২৫ অগস্ট, ২০১৭ সালের এই ঘটনায় হ্যাম্পশায়ারের পুলিশও তেমন অভিমতও প্রকাশ করে। কিন্তু ছেলের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে এ বার নতুন বছরের গোড়াতেই আদালতের দ্বারস্থ হলেন মা। দাবি করলেন, পোষ্য ময়াল শ্বাসরোধ করে হত্যা করেনি ছেলেকে। এর পিছনে রয়েছে কোনো চোরাপাচারকারী দলের চক্রান্ত।

জানা গিয়েছিল, ২০১৭ সালে আচমকাই এক দিন ব্র্যান্ডনকে তাঁর হ্যাম্পশায়ারের বাড়িতে মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল সাধের পোষ্য ময়াল টাইনি। ডিম ফুটে বের হতে দেখেছেন বলে এই নামেই বিশাল সেই ময়ালকে ডাকতেন ব্র্যান্ডন। এর পর পুলিশে খবর দিলে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জানা যায়, শ্বাসরোধ এবং একটি চোখের ভিতরে রক্তক্ষরণই তাঁর মৃত্যুর কারণ।

আর ঠিক এই জায়গা থেকেই এ বার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর মা। তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের হ্যাম্পশায়ারের ওই পৈতৃক বাড়িতে ১০টা সাপ আর ১২টা বিষাক্ত টারান্টুলা মাকড়সা পুষেছিলেন ব্র্যান্ডন। যার জন্য সব সময়েই সতর্কতা অবলম্বন করতেন তিনি।

“সাপটা বড়ো হচ্ছিল। আগের মতো তাকে গলায় জড়িয়ে রাখা আর নিরাপদ ছিল না। ব্র্যান্ডন এটা ভালোমতোই জানত। সেই জন্য অনেক দিন ও আর সাপটাকে গলায় জড়িয়ে খেলা করত না। তাই আমার মনে হয়, কোনো চোরাচালান দলের সদস্য সাপের চামড়া আর টারান্টুলার বিষের লোভে ওকে খুন করেছে। কিন্তু যে কোনো কারণেই হোক, প্রাণীগুলোকে নিয়ে যেতে পারেনি। আমি তাই এই মামলার পুনর্বিচার চাই”, জানিয়েছেন ব্র্যান্ডনের মা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন