stephen hawkins passes away

ওয়েবডেস্ক: কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের প্রকাশনা বিভাগের পাতা আপাতত কাজ করছে না। ঘণ্টা কয়েক আগে চাপ সামলাতে না পেরে রীতিমতো বসে পড়েছে অফিসিয়াল সাইট। কারণটা কী? দিন দুয়েক আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইটে আপলোড করা হয়েছিল পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং-এর পিএইচডি-র গবেষণাপত্র। তারপর কেটেছে মাত্র কয়েকটা দিন। এরই মধ্যে অনলাইনে সেই গবেষণাপত্রের ভিউ ছাড়িয়েছে ২০ লক্ষ।

‘প্রপার্টিজ অব এক্সপ্যান্ডিং ইউনিভার্স’- ১৯৬৬ সালে কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হকিং-এর গবেষণাপত্রের শিরনামটি ছিল এইরকম। এতদিন সেই গবেষণাপত্র পড়তে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দিতে হত ৬৫ পাউন্ড। সম্প্রতি সর্বসাধারণের জন্য বিনামুল্যে তা পড়ার ব্যবস্থা করেছে কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে ৫ লক্ষের বেশি মানুষ ডাউনলোড করার চেষ্টা করেছে হকিং-এর ১৩৪ পাতার এই পিএইচডি থিসিস।

১৯৬৬ সাল। ৭৫-এ পা দেওয়া প্রবাদপ্রতিম মহাকাশ বিজ্ঞানীর বয়স তখন ২৪। কেমব্রিজের ট্রিনিটি হলের গবেষণারত ছাত্র। গবেষণার ৪ বছরের মাথায় শেষ হল ১৩৪ পাতার থিসিস লেখার কাজ। এরপর অবশ্য শুধু বিজ্ঞানসাধক নয়, মহাকাশজগতকে স্টিফেন পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ববাসীর ঘরে ঘরে। নিজের কলমের ছোঁয়ায়। ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’, “থিওরি অব এভ্রিথিং’ তাঁর প্রমাণ। গত সোমবার থেকে অনলাইনে পড়া যাচ্ছে হকিং-এর গবেষণাপত্র। এবং পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে মানুষ চোখ বোলাচ্ছেন তাতে। আগে কখনও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করতে পারছেন না কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা বিভাগের প্রধান আর্থার স্মিথ।

বিবিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬ থেকে ১৯৯ টি আবেদন জমা পড়েছিল কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষের কাছে, যাতে বিনামূল্যেই হকিং-এর গবেষণাপত্র সকলের কাছে পৌঁছে যায়। আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, বেশিরভাগ আবেদন এসেছিল সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকেই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here