অতিরিক্ত ফ্রুট জুস পানে ক্যানসারের হাতছানি, বলছে গবেষণা

colddrink
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক : যাঁরা নিয়মিত ‘ওরেঞ্জ জুস’ খান তাঁদের জন্য ক্যানসারের প্রবণতা অনেক বেশি। উলটো দিকে যাঁরা মিষ্টি জাতীয় পানীয় বা চিনিযুক্ত পানীয় খান না, তাঁরা অনেকটাই নিরাপদ, বলছে একটি গবেষণা। 

প্রতিদিন ১০০ এমএল স্কোয়াশ বা ঠাণ্ডা পানীয়, অথবা শুধু ফলের রস পান করলে যে কোনো রকমের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ১৮ শতাংশ বেড়ে যায়।

ফ্রান্সের প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে, তাতেই এমনটা জানা গিয়েছে। ফ্রান্সের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল রিসার্চ (ইনসার্ম)-এর গবেষকরা এই গবেষণাটি করেছেন। তাঁরা মিষ্টি পানীয় থেকে ফলের রস সম্পূর্ণ আলাদা করেও দেখেছেন। কিন্তু তাতেও সমস্যা একই থেকে গিয়েছে।

পড়ুন – সামান্য ব্যায়াম উন্নতি করতে পারে পড়াশোনার: গবেষণা

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা প্রতিদিন ১৫০ এমএল জুস খান তাঁদের মধ্যে ক্যানসারের আশঙ্কা ১২ শতাংশ বেশি। অন্য দিকে যাঁরা ডায়েট ড্রিঙ্ক বা কৃত্রিম ভাবে মিষ্টি পানীয় খান, তাঁদের মধ্যে বাড়তি আশঙ্কা নেই।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে। গবেষণাটি করা হয়েছে এক লক্ষ এক হাজার ২৫৭ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষদের নিয়ে। তাঁদের বয়স ৪২ বছরের মধ্যে। এই মানুষদের মধ্যে ছিলেন ২১% পুরুষ ও ৭৯% মহিলা।

আরও পড়ুন – হোয়াটসঅ্যাপ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, বলছে গবেষণা

গবেষকরা এ-ও বলছেন যে, গত কয়েক দশকে শর্করা জাতীয় খাবার ও পানীয় খাওয়ার পরিমাণ ক্রমশ বেড়েছে। এ দিকে শর্করা জাতীয় খাবার ওবেসিটি বা মোটাভাব বাড়ায় এবং ওবেসিটি অনেক রকমের ক্যানসারের আঁতুড় ঘর। প্রায় ১৩ রকমের ক্যানসারের কারণ ওবেসিটি। বাড়ে ব্রেস্ট ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার ও বায়েল ক্যানসারের প্রবণতা।

গবেষকরা বলছেন, এই ক্ষেত্রে শর্করা জাতীয় এবং মিষ্টি পানীয়গুলির ওপর কর আরোপ, বিপণনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়ার মতো কিছু নীতিই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাতে ক্যানসার হ্রাসে কিছুটা সাহায্য হতে পারে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.