Swiss bank

ওয়েবডেস্ক: সুইজারল্যান্ড প্রশাসন সে দেশের দু’টি ব্যাঙ্কে টাকা আমানতকারী কম পক্ষে ৫০ জন ভারতীয় নাগরিকের তথ্যসম্বলিত বিজ্ঞপ্তি ইস্যু করেছে বলে সূত্রের খবর। এ ব্যাপারে জানা গিয়েছে, ওই ব্যাঙ্ক দু’টির আর্থিক দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং তা পেশের জন্যই এই ধরনের উদ্যোগ। বেআইনি ভাবে যাঁরা ওই ব্যাঙ্কগুলিতে টাকা রেখেছিলেন তাঁদের তথ্য প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারত-সুইজারল্যান্ড দুই দেশের মধ্যে প্রশাসনিক চুক্তি অনুযায়ী এই পদ্ধতিতে যুক্ত থাকা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যাঁদের নাম প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সমস্ত ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, আর্থিক পরিষেবা সংস্থার কর্তা, এমনকী প্রযুক্তি এবং টেলিকম, বস্ত্র, হোম ডেকোরেশন অথবা গয়না ব্যবসায়ীও।

সুইজারল্যান্ড গত কয়েক বছরে কালো টাকার নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসাবে মান্যতা পেয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ঘটে চলা এই বিষয়টি নিয়ে কোনো দেশের আহ্বানেই নেতিবাচক সাড়া দিতে দেখা যায়নি তাদের। তবে ভারতের আবেদনের বিষয়টি নিয়ে কিছুটা রাজনৈতিকভাবেই সংবেদনশীল হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার আসার আগেই বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও সাড়া ফেলেছিল বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধারের বিষয়টি। এ ব্যাপারে একাধিক বার আবেদন জানানোর পর দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে ভারতের সঙ্গে শর্তসাপেক্ষ চুক্তি করেছে সুইজারল্যান্ড।

[ ম্যাচের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কথা রাখলেন না পাক অধিনায়ক! ]

এখনও পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের তরফে চুক্তি অনুযায়ী ওই ব্যক্তিদের নাম সংবাদ মাধ্যমের কাছে প্রকাশ না করলেও সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, ওই ৫০ জন অ্যাকাউন্টধারীর তথ্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে। তালিকার অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ভারত সরকারের কাছে এই প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে আবেদন জানাতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here