aung san suu kyi

অক্সফোর্ড: রোহিঙ্গা ইস্যুতে নীরব থাকার অপরাধে ইতিমধ্যেই সু কিকে দেওয়া নোবেল খেতাব কেড়ে নেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। নোবেল কেড়ে নেওয়া হবে কি না এখনই বলা যাবে না, তবে ইতিমধ্যেই তাঁকে দেওয়া একটি গরিমাময় উপাধি কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

মায়ানমারের নেত্রীকে দেওয়া ‘ফ্রিডম অফ অক্সফোর্ড’ উপাধি কেড়ে নিল অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিল। গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৭ সালে তাঁকে এই উপাধি দেয় অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিল। তিনি তখন মায়ানমারের সেনাবাহিনীর কবজায় ছিলেন। রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ না করার জন্যই যে তাঁর এই সম্মান কেড়ে নেওয়া হয়েছে, সে কথা জানিয়েছে অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিল।

অক্সফোর্ডের সেন্ট হিউ কলেজ থেকে ১৯৬৭ সালে স্নাতক হন মায়ানমারের এই নেত্রী। তিনি গৃহবন্দি হওয়ার পর ১৯৯৩ সালে তাঁকে সাম্মানিক ডক্টরেটে ভূষিত করে অক্সফোর্ড। তাঁর দু’ বছর আগে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান তিনি। অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিলের নেতা বব প্রাইস এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “এটা একটা অভূতপূর্ব পদক্ষেপ।” রোহিঙ্গা বিষয়ে সু কি যে একটিও মন্তব্য করেননি সে ব্যাপারেও বিস্ময় প্রকাশ করেন বব।

কিছু দিন আগে সেন্ট হিউ কলেজে থাকা তাঁর একটি পোর্ট্রেট সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। কেন সেই আঁকাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে কলেজ কর্তৃপক্ষ কিছু না বললেও, নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যের বলে মনে করা হচ্ছে। আঁকাটি যে কলেজের গোডাউনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে কথা জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

অন্য দিকে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের ওপরে নতুন করে নির্যাতন শুরু হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন অন্তত আট লক্ষ শরণার্থী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here