ওয়েবডেস্ক: সত্যি, ওদের দুজনের দেখা না হলে হয়তো এই দুনিয়াটাই অসম্পূর্ণ থেকে যেত। পৃথিবীর রং কিছুটা কম পড়ে যেত। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ আর সবচেয়ে খাটো মহিলা। এ যেন এক রূপকথা। ঠিক যেন একটি বিশাল তালগাছের পাশে একটা ছোট্টো ফুলগাছ।

মিশরে একটা ফটোশুটে দেখা হল তুরস্কের আঙ্কারার সুলতান কোসেনের সঙ্গে নাগপুরের জ্যোতি আমগের। ৩৬ বছরের সুলতান ২.৫১ মিটার লম্বা। আর ২৫ বছরের জ্যোতির উচ্চতা ০.৬৩ মিটার।

মিশরের নীল নদের পশ্চিম পারের গিজা শহর। শহরের গিজা পিরামিডের সামনে ছিল তাঁদের ফটোশুট। জ্যোতির থেকে সুলতান প্রায় চারগুণ লম্বা।

গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের হিসেব অনুযায়ী গত ২০ বছরে তিনিই হলেন আট ফুটের বেশি লম্বা প্রথম জীবন্ত মানুষ। ২০০৯ সাল থেকে প্রথম জীবন্ত লম্বা মানুষের বিশ্বরেকর্ড রয়েছে সুলতানের নামে। তখন তাঁর উচ্চতা ২.৪৭ মিটার। তার পর থেকে তিনি আরও লম্বা হয়ে চলেছেন। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী পিটুইটারি গ্রন্থির লম্বা হওয়ার হরমোন অতিরিক্ত নিঃসরণের কারণে তিনি এত লম্বা। সুলতানের চার ভাইবোন আছেন। তাঁরা কিন্তু স্বাভাবিক উচ্চতার মানুষ। সুলতানয়ের বিয়ে হয় ২০১৩ সালে।

জ্যোতি অ্যাকনড্রোপলাসিয়ায় আক্রান্ত। এর ফলে মানুষ ছোটোখাটো আকৃতির হয়। এটা মিউটেশনের সমস্যা ঘটিত জিনগত ব্যাপার। জ্যোতি একজন অভিনেতা। ছবি, তথ্যচিত্র, আর বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন তিনি। ২০১১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো জীবন্ত মহিলা হিসেবে তিনি স্বীকৃত হন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন