trump

নিউ ইয়র্ক: কিছু দিনের মধ্যেই ছ’টি দেশের ওপর ট্রাম্পের জারি করা অভিবাসন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই নতুন অভিবাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় স্থান পেয়েছে নতুন তিনটে দেশ।

ভারতীয় সময়ে রবিবার গভীর রাতে নতুন নিষেধাজ্ঞায় সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় স্থান পেয়েছে তিনটে নতুন দেশ, উত্তর কোরিয়া, ভেনেজুয়েলা এবং চাদ। ১৮ অক্টোবর থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।

গত জানুয়ারিতে তাঁর অভিবাসন-নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। সেই তালিকায় সাতটি মুসলিম প্রধান দেশকে রাখলেও, কয়েক দিন পরে তা সংশোধন করে ইরাককে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিলেন। রবিবারের নতুন তালিকায় সুদানের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি।

ইরান, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেনের সঙ্গে এই তালিকায় যোগ হল তিনটে দেশ। অর্থাৎ মোট আটটা দেশের ওপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে ভেনেজুয়েলার সব বাসিন্দাদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর নয়। সে দেশের সরকারি আধিকারিক এবং তাদের পরিবারের ওপরেই এই নিষেধাজ্ঞা।

তবে ইরান এবং সোমালিয়ার বাসিন্দারা চাইলে যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। ‘সঠিক পরীক্ষা’-র পর আবেদনকারীদের ভিসা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে।

মূলত মুসলিম প্রধান দেশের ওপরেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, এমন অভিযোগ করা হয়েছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ এ বার যাতে কেউ করতে না পারে সে জন্য ভেনেজুয়েলা এবং উত্তর কোরিয়াকে এই তালিকায় ঢোকানো হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।

উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে সহযোগিতা করছে না এবং সন্ত্রাস সম্পর্কিত এবং অন্যান্য তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্রয়োজনমতো জানাচ্ছে না চাদ, এই যুক্তিতে এই দু’টি দেশের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার ওপরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখা আমার দায়িত্ব। দেশের প্রতি যাদের নিরাপদ মনে করছি না তাদের আমাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দেব না।”

তবে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা নীতির পরেও বিস্তর সমালোচনার ঝড় বইছে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন