Connect with us

বিদেশ

মার্কিন নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার সদস্যের জাহাজে করোনাভাইরাসের থাবা! আক্রান্ত ৩

ওয়েবডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী জাহাজে (US Navy ship) তিন করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রামিতের হদিশ মিলেছে গত মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে, ওই জাহাজটিতে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী এবং আধিকারিক ছিলেন। সংক্রামিতদের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককেই কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব টমাস বি মোডলি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ (Covid-19) আক্রান্ত তিনজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জাহাজে সংক্রামিতদের সঙ্গে যাঁরা সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের সবাইকে পৃথক করা হয়েছে।

ঘটনায় প্রকাশ, ১৫ দিন আগে সর্বশেষ ভিয়েতনামের একটি বন্দরে ওই জাহাজটি ছিল। তবে মার্কিন নৌবাহিনী পরিচালনার প্রধান অ্যাডমিরাল মাইক গিল্ডি জানিয়েছেন, ঠিক কোন বন্দরে থাকাকালীন সংক্রমণ ঘটেছে, তা এখনই চিহ্নিত করা কঠিন।

তিনি বলেন, “জাহাজের সদস্যরা যখন উপকূলের সফর থেকে ফিরে এসেছিলেন, তখন আমরা তাঁদের যথাযথ মেডিক্যাল স্ক্রিনিং করেছিলাম। সেটা অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করেই করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, মোট কথা, নৌবাহিনীতে ৮৬টি করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা রয়েছে, যার মধ্যে ৫৭ জন পরিষেবা সদস্য।

আরও পড়ুন: হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং জিথ্রোম্যাক্সের সংমিশ্রণেই কি সারবে কোভিড-১৯?

গত সপ্তাহে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সান দিয়েগোতে ইউএসএস বক্সার জাহাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, সেখানে এক জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

এমনিতে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা হু (WHO) ইঙ্গিত দিয়েছে, ইতালি, স্পেনের পর করোনাভাইরাসের ভরকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে আমেরিকা। পরিসংখ্যান প্রকাশ করার আগে শেষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউরোপ-আমেরিকায় নতুন আক্রান্তের মধ্যে ৪০ শতাংশই আমেরিকার। এই পরিসংখ্যানই উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের।

বিজ্ঞান

কোভিড ১৯ চিকিৎসায় রাশিয়ার প্রথম ওষুধ আগামী সপ্তাহ থেকেই

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী সপ্তাহ থেকে কোভিড ১৯ (Covid 19) চিকিৎসায় রাশিয়া (Russia) তার প্রথম অনুমোদিত ওষুধটি প্রয়োগ করতে চলেছে। রয়টার্সকে এই খবর দিয়েছে রাষ্ট্রের প্রধান আর্থিক মদতকারী সংস্থা। তাদের আশা, রাষ্ট্রের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর চাপ কমবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবনে দ্রুত ফিরে আসা সম্ভব হবে।

এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার আরডিআইএফ সভরেন ওয়েলথ ফান্ডের (RDIF Sovereign Wealth Fund) প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ (Kirill Dmitriev) রয়টার্সকে জানান, অনুমোদিত ওষুধটি ‘অ্যাভিফেভির’ (Avifavir) নামে নথিভুক্ত হয়েছে। রাশিয়ার হাসপাতালগুলি ১১ জুন থেকে কোভিড ১৯ রোগীদের উপর এই অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি (antiviral drug) প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি জানান, এই ওষুধ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি মাসে অন্তত ৬০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করার মতন ওষুধ উৎপাদন করবে।

আরও পড়ুন: মডার্নার করোনাভাইরাস টিকার প্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল

নতুন করোনাভাইরাসের (coronavirus) জেরে কোভিড ১৯ নামে যে রোগের সৃষ্টি হয়েছে, তা ঠেকানোর জন্য প্রতিষেধক টিকা (vaccine) তৈরির চেষ্টা বিভিন্ন দেশে জারি থাকলেও এখনও কোনো ইতিবাচক ফল মেলেনি।

কোভিড ১৯-এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে গিলিড-এর (Gilead) অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘রেমডেসিভির’ (Remdesivir) নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কিছু ইতিবাচক ফল মিলেছে এবং কিছু দেশে এমার্জেন্সি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

‘অ্যাভিফেভির’-এর জেনেরিক নাম ‘ফ্যাভিপিরাভির’ (Favipiravir)। গত শতকের নব্বই দশকের শেষ দিকে জাপানের একটি কোম্পানি প্রথম এটি তৈরি করে। পরে ফুজিফিল্ম স্বাস্থ্যপরিষেবায় যুক্ত হওয়ার পরে ওই কোম্পানি কিনে নেয়।

আরডিআইএফ প্রধান জানান, রুশ বিজ্ঞানীরা ওই ওষুধের কার্যকারিতা আরও বাড়িয়েছে এবং আগেকার ওষুধে কী কী সংশোধন করা হয়েছে সেই তথ্য আগামী দু’ সপ্তাহের মধ্যে সকলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে রাজি আছে মস্কো।

জাপানও ওই একই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে। সেখানে এই ওষুধের নাম ‘অ্যাভিগান’ (Avigan)। এই প্রচেষ্টা প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের জোরালো সমর্থন পেয়েছে এবং তাঁর সরকার এ ব্যাপারে ১২৮ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করেছে। তবে এই ওষুধ ব্যবহারের কোনো অনুমতি সরকার দেয়নি।     

রুশ সরকারের অনুমোদিত ওষুধের তালিকায় গত শনিবারই ঢুকে গিয়েছে ‘অ্যাভিফেভির’। দিমিত্রিভ জানান, ৩৩০ জন কোভিড ১৯ রোগীর উপর এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভাইরাসের চিকিৎসা করে চার দিনের মধ্যে রোগীদের সুস্থ করে তুলেছে।

এক সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক বিশেষ দ্রুত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে আমেরিকা, ওয়াশিংটন-সহ ৪০ শহরে কার্ফু

খবর অনলাইনডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম বার এমন ঘটনা ঘটল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA)। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সামলাতে দেশের ৮টি প্রদেশে রাস্তায় নামানো হল ন্যাশনাল গার্ডকে (National Guard)। এ দিকে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কুরুচিকর হুমকি দিলেও, তাতে আমল দিচ্ছেন না কেউ। দেশ জুড়ে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে।

ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, লস আঞ্জেলেস, শিকাগো, মিয়ামির মতো সব বড়ো শহরেই জারি কার্ফু। তবে তার আগেই অবশ্য ছোট-বড়ো সব দোকান-বাড়িতে দিনভর চলে অবাধ ভাঙচুর, লুটপাট এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। অভিযোগ, বিক্ষোভ ঠেকাতে দেদার লাঠিচার্জের পাশাপাশি লঙ্কা-গুঁড়ো, রাবার-প্লাস্টিক বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটিয়েছে পুলিশ। 

গত সোমবার পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন মারা যান ৪৪ বছর বয়সি জর্জ ফ্লয়েড (George Floyd)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশকর্মী ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু চেপে ধরে রেখেছেন। ফ্লয়েডকে শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখা যায়। তিনি বারবার নিজের শ্বাসকষ্টের কথা জানিয়ে আকুতি করলেও শোনেননি ওই পুলিশকর্মী।

নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে রাখেন। এ সময় তাঁর পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন আরও চার পুলিশকর্মী। এর পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ফ্লয়েড। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ফ্লয়েডকে বাঁচানো যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত পুলিশকর্মীদের চিহ্নিত করা হয়েছে ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে পুরো মিনেপোলিস। বিক্ষোভকারীরা ফ্লয়েডের হত্যাকারী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যথাযোগ্য আইনি ব্যবস্থা ও শাস্তির দাবিতে সরব হন। বিক্ষোভকারীরা শহরে একাধিক পুলিশ স্টেশন ভাঙচুর করেছে।

মিনেপলিস থেকে ধীরে ধীরে গোটা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। গত শুক্রবার গোটা রাত হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায় যে ট্রাম্পকে মাটির ভেতরে থাকা বাংকারে নিয়ে যেতে হয়।

দেশের ২২টি শহর থেকে এখনও পর্যন্ত ২০০০ জনকে গ্রেফতার করা হলেও বিক্ষোভকারীরা অনড়। অশান্তি-মারামারির নিন্দা করলেও কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষায় সরব হয়েছেন ভোটে ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনও।

‘দম আটকে আসছে আমার’(I can’t breathe man)- ফ্লয়েডের ওই শেষ কথাই পোস্টার-প্ল্যাকার্ড হয়ে উঠে এসেছিল বেশ কিছু শহরের রাস্তায়। এখন দেখা যাচ্ছে একই কথা স্প্রে-পেন্টিং করে লেখা দোকানে-আবাসনে-দফতরে।

শিকাগো, নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তিতে জড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীদের একাংশ। ওয়াশিংটনের হোটেলে জ্বলেছে আগুন। পুড়েছে একাধিক গাড়ি, পুলিশেরও চারটি। শুধু ফিলাডেলফিয়ায় সংঘর্ষে আহত ১৩ পুলিশকর্মী।

নিউ ইয়র্ক থেকে ভাইরাল ভিডিয়োতে আবার দেখা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ভিড় লক্ষ করেই ধেয়ে আসছে পুলিশের গাড়ি। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছেন। 

এই বিক্ষোভে সমান ভাবে অংশ নিচ্ছে শ্বেতাঙ্গরাও। ব্রুকলিনে এক শ্বেতাঙ্গ বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘বার বার এমন ভুল হতে পারে না। কালো মানুষদের নিকেশ করার একটা চক্রান্ত চলছে।’’

সুবিচারের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে হলিউডও। লেডি গাগা লিখেছেন, ‘‘খুন মানে খুনই। পুলিশেরও সাধারণ খুনির মতোই শাস্তি হওয়া উচিত।’’

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের বিরুদ্ধে আফ্রিকান-আমেরিকানদের নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ বহু পুরোনো। এই নিয়ে প্রচুর বিক্ষোভ-প্রতিবাদও হয়েছে। কিন্তু এ বারের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, অতীতে সব ঘটনাকেই যেন পেছনে ফেলে দিয়েছে।

Continue Reading

বিদেশ

ভারতীয় ভূখণ্ড জুড়ে নিয়েই নেপালের সংসদে পেশ নতুন মানচিত্র বিল

নয়াদিল্লি: রবিবার নেপালের সংসদে একটি সংবিধান সংশোধনী বিল (constitution amendment bill )পেশ করা হল। যেখানে ভারতীয় ভূখণ্ডকে জুড়ে নিয়েই নতুন একটি মানচিত্রে সিলমোহর দিতে চলেছে নেপালের সংসদ। ক্ষমতাসীন বামজোট এই বিল পেশ করার পর তাতে সায় দেবে বলে জানিয়েছে বিরোধী নেপালি কংগ্রেস।

নেপালে (Nepal) সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে সাধারণত এক মাস সময় লাগে। তবে এ ব্যাপারে জনগণের অনুভূতি বিবেচনা করে, নেপালি সংসদ আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিলটি পাস করাতে বেশ কয়েকটি বিকল্প প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। অন্য দিকে বিলটি পাস করাতে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধীরা বিলে সমর্থনের বার্তা দেওয়ায় আর কালবিলম্ব করতে চাইছে না কেপি শর্মা ওলির সরকার।

কারণ, নতুন বিলে নেপালের অন্য দুই বিরোধী দল  ‘সমাজবাদী জনতা পার্টি নেপাল’ এবং ‘রাষ্ট্রীয় জনতা পার্টি নেপাল’ বিরোধিতা করলেও তা পাস করাতে বেগ পেতে হবে না শাসক দলকে। জানা গিয়েছে, নতুন মানচিত্রে ভারত-নেপাল সীমান্তের লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখকে নেপালের অংশ হিসাবে দাবি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ভারতের পক্ষ থেকে আগেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছিলেন, “কোনো প্রতিবেশী দেশের এই জাতীয় কৃত্রিম সম্প্রসারণ ভারত গ্রহণ করবে না”। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “নেপাল এই বিষয়ে ভারতের (India) ধারাবাহিক অবস্থান সম্পর্কে বেশ ভালো ভাবেই অবহিত এবং আমরা নেপাল সরকারকে এই ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে এবং ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনুরোধ করেছি”।

কূটনৈতিক মহলের মতে, এই নতুন মানচিত্র (Map) বিলকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে নেপালের সংঘাত আর তীব্র হয়ে উঠল। যার ইঙ্গিত কয়েক দিন আগেই মিলেছে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, “ভারতের ভাইরাস আমেরিকা অথবা ইতালির থেকেও অনেক ভয়ঙ্কর”। একই সঙ্গে একাংশের অনুমান, সীমান্ত নিয়ে নেপালের মতো এক ক্ষুদ্রাকার দেশের সীমান্ত নিয়ে এই ‘অতি-সক্রিয়তা’র নেপথ্যে থাকতে পারে চিনের ইন্ধন!

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং