মার্কিন সেনাবাহিনীতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের স্থান নেই, ঘোষণা ট্রাম্পের

0
2320

ওয়াশিংটন: বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য বিখ্যাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের সংবাদ শিরোনামে এলেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য মার্কিন সেনাবাহিনীর দরজা বন্ধ। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চিন্তায় পড়েছেন সেনাবাহিনীতে কর্মরত তৃতীয় লিঙ্গের কয়েক হাজার কর্মী। তাঁরা ভেবে পাচ্ছেন না, তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটবে।

বুধবার এক টুইট বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে সেনাকর্তাদের সঙ্গে এবং সামরিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছন। তাঁদের বলা হয়েছে, কোনো ভাবেই মার্কিন বাহিনীর কোনো পদেই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নেওয়া হবে না।

ট্রাম্প বলেছেন, “আমাদের সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হল সুনিশ্চিত দুর্বার জয়। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজন থাকার ফলে চিকিৎসার জন্য যে অত্যাধিক খরচ হয় এবং কাজে যে বিঘ্ন ঘটে এই বাহিনীর ওপর  চাপানো যায় না।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো ঝড় উঠেছে। নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প তৃতীয় লিঙ্গ, সমকামী, উভকামীদের অধিকারের জন্য লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, “আমি আপনাদের জন্য লড়াই করব।” এখন সেই প্রতিশ্রুতি থেকে তিনি সরে আসায় ক্ষুব্ধ হয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট, দুই দলেরই বেশ কিছু সদস্য প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বৈষম্য বলে বর্ণনা করেছেন। তবে কয়েক জন রিপাবলিকান সদস্য সেনাবাহিনীতে তৃতীয় লিঙ্গের কাজ করার বিরোধিতা করছেন।

এখন যে সব তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সেনাবাহিনীতে রয়েছেন, তাঁদের বরখাস্ত করা হবে কি না সে ব্যাপারে হোয়াইট হাউস আর পেন্টাগন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে ট্রাম্প প্রশাসনের মুখপাত্র সারা স্যান্ডার্স জানান।

ওবামা প্রশাসন গত বছর সেনাবাহিনীতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করার নীতি নিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপে ওবামা প্রশাসনের নীতি পালটে দেওয়া হবে।

গত বছর ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট র‍্যান্ড কর্পোরেশন’ এক হিসাবে জানিয়েছিল, মার্কিন বাহিনীতে ২৪৫০ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ আছেন।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here