ওয়েবডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিং জং উনের সঙ্গে বাগযুদ্ধ আরও তীব্র করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বছরের প্রথম দিনে তাঁর বাৎসরিক ভাষণে কিম বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে। এবং পারমাণবিক অস্ত্র সক্রিয় করার বোতামটা সবসময় তাঁর টেবিলের ওপরই থাকে। নববর্ষের প্রথম দিনে তাঁর এই মন্তব্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল দুনিয়া জুড়ে। এবার সেই হুমকির উত্তর দিলেন ট্রাম্প।

মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প কিমকে উদ্দেশ করে টুইটে বলেন, ‘ওই বুভুক্ষু এবং ক্রমেই দুর্বল হতে থাকা দেশের কেউ ওকে বলে দিক যে আমার বোতামটা অনেক বড়ো এবং শক্তিশালী। আর সেটা কাজ করে’।

গত গ্রীষ্মে কিমের বিরুদ্ধে বেশ কিছু আগুনে মন্তব্যের পর গত কয়েক মাসে উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে বেশ মেপেই কথা বলছিলেন ট্রাম্প। হয়তো তাঁর প্রশাসনের কেউ তাঁকে বলেছিল, গত শতকের মাঝখানে উত্তর কোরিয়ার জনগণের ওপর আমেরিকার ভয়ঙ্কর অত্যাচারের কথা। যার থেকে তৈরি হওয়া ঘৃণার ওপর ভর করেই এক গরিব দেশের রাষ্ট্রনায়ক আমেরিকার মতো মহাশক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলতে সাহস পান। তো, সেই ইতিহাস জেনেই হয়তো কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে আক্রমণ করলেও সে দেশের জনগণের প্রতি সহানুভূতির ভঙ্গিতে কথা বলছিলেন ট্রাম্প। তাঁর এদিনের টুইটেও সেই ভঙ্গিটি বজায় রয়েছে।

কারণ, মার্কিন প্রশাসন জানে, দেশের জনগণের তীব্র মার্কিন বিরোধী অবস্থানের জন্যই গরিব দেশ হওয়া সত্ত্বেও এতটা আগ্রাসী উত্তর কোরিয়ার একনায়ক প্রেসিডেন্ট। তাই কিমকে আক্রমণ করার পাশাপাশি সে দেশের জনগণকে জয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা।

যদিও মনে রাখা দরকার, উত্তর কোরিয়ার প্রতি প্রচ্ছন্ন সাহায্যের হাত সবসময়ই বাড়ানো রয়েছে চিন ও রাশিয়ার।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন