volcano

ওয়েবডেস্ক: জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য, চিত্ত ভাবনাহীন! আর কী বা বলা যেতে পারে ব্রিটেনের ক্রিস হর্সলে সম্পর্কে!

সম্প্রতি ল্যাঙ্কাশায়ারের নিকটবর্তী এরমস্কার্কের বাসিন্দা এই অভিযাত্রীর দুঃসাহসিক অভিযানের ইতিবৃত্ত চমকে দিয়েছে পৃথিবীকে। কেন না, প্রাণের ঝুঁকি অনেক অভিযাত্রীই নিয়ে থাকেন। কিন্তু হর্সলের কারনামা আপাতত বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে সবাইকে। পৃথিবীর সব চেয়ে বিপজ্জনক এবং সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটির মধ্যে নিশিযাপন করে এসেছেন যে তিনি!

হর্সলে সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় আপলোড করেছেন তাঁর এই আগ্নেয় গিরি-গহ্বরে রাত্রিবাসের একটি ভিডিও। ৩ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের এই ভিডিওটা কি একটু বড়োই মনে হচ্ছে? তা হলে এ-ও মনে করিয়ে দিতেই হচ্ছে যে এই অভিযানটাও তো একেবারে ফেলনা নয়! না কি, সক্রিয় আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে মানুষের সগৌরব পদচারণা নিতান্ত সুলভ?

সুলভ নয় বলেই ব্রিটেনের এই যুবকের অভিযান এবং তার ভিডিও চমকে দিচ্ছে সবাইকে। ঠিক যতটুকু দূরত্ব নিরাপত্তার খাতিরে না রাখলেই নয়, ততটুকুই ব্যবধান কেবল রেখেছেন হর্সলে ফুটন্ত গলন্ত লাভা আর নিজের তাঁবুর মধ্যে। তার পর আগ্নেয়গিরির উথলে ওঠা লাভাস্রোতের ছবি দেখে সহাস্যে মন্তব্য করেছেন তিনি- “এ যেন জাদুর দুনিয়া! এত ভালো আতসবাজির প্রদর্শন পৃথিবীর কোথাও হয় না!”

পাশাপাশি, রাত্রিবাস, খাবার তৈরি করা- এ সব নিয়েও ফুট কাটতে ছাড়েননি তিনি। “আগ্নেয়গিরির মধ্যে এ ভাবে ঘুমানো এক অনির্বচনীয় অভিজ্ঞতা। ভিতরে যা তাপ, তাতে স্বচ্ছন্দে আমাদের খাবার বিনা ইন্ধনেই রান্না হয়ে যাবে”, জানিয়েছেন তিনি। এ-ও জানাতে ভোলেননি, তাঁবুতে বসে আগ্নেয়গিরির লাভার উথলে ওঠা, নেমে যাওয়া, ফের উঠে আসার দৃশ্যটা কতটা মুগ্ধ করার মতো!

জানা গিয়েছে, হর্সলে এই অভিযানের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ভানুআটু দ্বীপপুঞ্জের অ্যামব্রিম আগ্নেয়গিরিকে। পৃথিবীর কুখ্যাত এবং সক্রিয় আগ্নেয়গিরিরগুলোর মধ্যে যা প্রথম সারিতেই পড়ে!

আসুন না, হর্সলের ভিডিওর সৌজন্যে আমাদেরও সক্রিয়, বিপজ্জনক এক আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে ভ্রমণ সাঙ্গ হোক!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here